• স্মৃতি-বসুন্ধরার প্রত্যাবর্তন, গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলার মনোজ টিগ্গা ও মধুচন্দ্রা, নীতিন নবীনের ‘টিম ২০২৯’-এ আর কে কে?
    এই সময় | ১৭ আগস্ট ২০২৬
  • Big Breaking: পাখির চোখ ২০২৯। সেই লক্ষ্যেই সর্বভারতীয় সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় ধরনের রদবদল করল বিজেপি। দুঁদে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার সঙ্গে মিশেছে তরুণ রক্তও। গেরুয়া শিবিরের সর্বভারতীয় স্তরে বড় পদে প্রত্যাবর্তন স্মৃতি ইরানির। ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারির পদ পেলেন প্রাক্তন বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। দীর্ঘদিন পরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ফিরলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে এবং বিজেপির প্রাক্তন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব-সহ একাধিক অভিজ্ঞ নেতাকেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলা থেকে জাতীয় স্তরের এই টিমে জায়গা পেলেন মনোজ টিগ্গা ও চিকিৎসক মধুচন্দ্রা কর। অন্যদিকে, আইটি সেল প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরানো হলো অমিত মালব্যকে।

    বিজেপির নতুন জাতীয় পদাধিকারীদের তালিকায় রয়েছেন ১৩ জন জাতীয় সহ-সভাপতি এবং ৮ জন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিজ্ঞ নেতাদের সঙ্গে তুলনামূলক ভাবে নতুন মুখদের জায়গা দিয়ে সংগঠনে ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনী চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই এই রদবদল বলে মনে করা হচ্ছে।

    ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বভারতীয় স্তরে সংগঠনকে ঢেলে সাজলেন ‘ক্যাপ্টেন’ নীতিন নবীন। সেই দলে বিজেপির জাতীয় সম্পাদকের পদ পেলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা। পাশাপাশি বিজেপির জাতীয় স্তরে নতুন সহ-সভাপতির পদ পেলেন চিকিৎসক মধুচন্দ্রা কর। বর্তমানে রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক সেলের সভাপতি তিনি।

    নীতিন নবীনের নতুন টিমে সবচেয়ে নজরকাড়া নামগুলির অন্যতম স্মৃতি ইরানি। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে জাতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তিনি মোদী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন। আমেঠি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদও ছিলেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের কিশোরী লাল শর্মার কাছে পরাজিত হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা হারান। এ বার দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটল।

    স্মৃতি ইরানির প্রত্যাবর্তনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জাতীয় স্তরে তাঁর পরিচিতি, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ভূমিকার কথা মাথায় রেখে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    নতুন টিমে রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া জাতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। একই পদে জায়গা পেয়েছেন বিজেপির অভিজ্ঞ নেতা রাম মাধব। দলের সংগঠন ও নির্বাচনী রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকা এই নেতাদের কাঁধে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেওয়া হলো বলেই মনে করা হচ্ছে।

    নতুন কমিটিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল-সহ আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম রয়েছে। সামগ্রিক ভাবে নতুন তালিকায় অভিজ্ঞতা এবং নতুন প্রজন্ম—দুইয়ের সমন্বয় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)