ঝাড়খণ্ডে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে পড়ুয়াদের আন্দোলন ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এ বার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে আন্দোলনরত ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার আর্জি জানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তব্য,‘ভারতের যুব সমাজই দেশের ভবিষ্যৎ। এই সঙ্কটের সময়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং সংহতি জানানো আমাদের দায়িত্ব।’
হেমন্ত সোরেনকে লেখা চিঠিতে রাহুল জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়াদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং তাঁদের দাবিগুলিও যুক্তিসঙ্গত। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নিজে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা উচিত বলে মনে করেন তিনি। রাহুলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি আলোচনায় বসা হলে সরকারের পক্ষ থেকে পড়ুয়াদের সমস্যাগুলি সমাধানের যে সদিচ্ছা রয়েছে, সেই বার্তাও আরও স্পষ্ট হবে।
চিঠিতে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার ভারতের সংবিধান স্বীকৃত গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।’ গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগে যে সমস্ত পড়ুয়া আন্দোলন করেছেন, কংগ্রেস তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে বলেও জানান তিনি।
ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রেও একই অবস্থান নিয়েছে কংগ্রেস। রাহুলের বক্তব্য, ‘রাজ্যের নিয়োগ পরীক্ষাগুলিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পড়ুয়ারা যে আন্দোলন করছেন, তা শান্তিপূর্ণ এবং তাঁদের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
ঝাড়খণ্ডে JPSC এবং JSSC-র নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে পড়ুয়াদের আন্দোলন সোমবার ২৪ দিনে পড়েছে। রাঁচির জয়পাল সিং স্টেডিয়াম-সহ বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীদের একাংশ অনশনেও বসেছেন। ছয়জন পড়ুয়া অনশন কর্মসূচিতে রয়েছেন বলে সাম্প্রতিক রিপোর্টে জানা গিয়েছে। তাঁদের অন্যতম দাবি, নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল করা।
এই পরিস্থিতিতে সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনা ফের শুরু হয়েছে। সোমবার সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পড়ুয়াদের চতুর্থ দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে রাহুল গান্ধীর চিঠির পরে সেই বৈঠকের দিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক ও ছাত্র মহলের।
ঝাড়খণ্ডের সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
গত কয়েক দিনে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। পড়ুয়ারা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন। ১৫ অগস্ট তাঁরা তেরঙ্গা যাত্রা বের করে ২০ অগস্ট মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের ঘোষণা করেছেন।
এর আগে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও লাঠি ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার পরে পড়ুয়াদের আন্দোলন আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে।
রাহুল গান্ধীর এই চিঠি রাজনৈতিক ভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেস, হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোটে রয়েছে। সেই জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই এ বার পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আর্জি জানালেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা।
অন্যদিকে, বিজেপিও এই ইস্যুতে হেমন্ত সোরেন সরকারকে আক্রমণ করছে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছে, পড়ুয়াদের দাবির মধ্যে অন্যতম CBI তদন্ত হলেও সরকার কেন সেই দাবি মেনে নিচ্ছে না।
ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন এখন শুধুমাত্র পরীক্ষার দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই; তা ক্রমেই বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হেমন্ত সোরেন আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসবেন কি না এবং আলোচনার মাধ্যমে অচলাবস্থা কাটে কি না, এখন সে দিকেই নজর।
ঝাড়খণ্ডের সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম এবং পরীক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
গত কয়েক দিনে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। পড়ুয়ারা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন। ১৫ অগস্ট তাঁরা তেরঙ্গা যাত্রা বের করে ২০ অগস্ট মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের ঘোষণা করেছেন।
এর আগে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও লাঠি ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার পরে পড়ুয়াদের আন্দোলন আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে।
রাহুল গান্ধীর এই চিঠি রাজনৈতিক ভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেস, হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোটে রয়েছে। সেই জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই এ বার পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আর্জি জানালেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা।
অন্যদিকে, বিজেপিও এই ইস্যুতে হেমন্ত সোরেন সরকারকে আক্রমণ করছে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছে, পড়ুয়াদের দাবির মধ্যে অন্যতম CBI তদন্ত হলেও সরকার কেন সেই দাবি মেনে নিচ্ছে না।
ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন এখন শুধুমাত্র পরীক্ষার দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই; তা ক্রমেই বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হেমন্ত সোরেন আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসবেন কি না এবং আলোচনার মাধ্যমে অচলাবস্থা কাটে কি না, এখন সে দিকেই নজর।