• স্বাধীনতা দিবসে ধর্মীয় স্লোগান সংখ্যালঘু ছাত্রীদের! ভিডিও ভাইরাল হতে সাফাই, ‘লাড্ডু খেতে এসেছিলাম’
    প্রতিদিন | ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • স্কুলের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় স্লোগান সংখ্যালঘু ছাত্রীদের! সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হতেই তুঙ্গে বিতর্ক। লাগাতার প্রশ্নের মুখে ছাত্রীদের দাবি, তারা নাকি লাড্ডু খেতে গিয়েছিল। অর্থাৎ দেশের এমন একটা গর্বের দিনের কোনও গুরুত্বই নেই তাদের কাছে। দিনটি কেবল লাড্ডু খাওয়ার!

    শনিবার ছিল ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। স্বাভাবিকভাবেই দেশের সর্বত্র এই দিনটি উদযাপন করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই বাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মিছিলের পাশাপাশি একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ছাত্রী ধর্মীয় স্লোগান তোলে। সেই ভিডিও নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায় সোশাল মিডিয়ায়। স্বাভাবিকভাবেই এই ভিডিওকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাগদা। কেন এই আচরণ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নির্লিপ্ত কণ্ঠে ছাত্রীরা দাবি করে তারা লাড্ডু খেতে গিয়েছিল। ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাগদা ৩ নম্বর মণ্ডলের ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বরা। সোমবার বাজিতপুর বাজারে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে, স্কুল গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে, এবং ওই ছাত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেয়।

    এ বিষয়ে বিজেপির বাগদা ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি নিতাই বিশ্বাস বলেন, “স্বাধীনতা দিবসের দিন বাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শোভাযাত্রায় যে ঘটনাটা ঘটেছে অত্যন্ত নিন্দনীয়, আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে দাবি করেছি যে কোনরকম ধর্মীয় পোশাক পরে স্কুলে আসা যাবে না। যারা স্বাধীনতা দিবসের দিন ধর্মীয় স্লোগান দিয়েছে তাদের চিহ্নিতকরণ করে ব্যবস্থা নিতে হবে।” এপ্রসঙ্গে বিজেপি নেতা অমৃতলাল বিশ্বাস বলেন, প্রায় ৭ লক্ষ বিপ্লবীর জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, দেশের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসের দিন বাজিতপুরের এক সম্প্রদায়ের ছাত্রীরা যে ঘটনা ঘটিয়েছে তা অত্যন্ত ঘৃণ্য। এদের সকলকে স্কুল থেকে টিসি দিতে হবে। যে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে তার মালিককেও ক্ষমা চাইতে হবে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)