• লক্ষ্য ‘চিকেনস নেক’ নিরাপত্তা, ছয় লেনের বিকল্প করোনেশন সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু
    প্রতিদিন | ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা মজবুত করতে এবার ছয় লেনের বিকল্প সেবক করোনেশন সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হল। জাতীয় সড়ক নির্মাণকারী সংস্থা ‘ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ ওই টেন্ডার ডেকেছে। ৬.৮৫ কিলোমিটার সেতু এবং সংযোগকারী রাস্তা তৈরিতে খরচ হবে ৮৪৪ কোটি টাকা। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানান, শুক্রবার জাতীয় সড়ক নির্মাণকারী সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এনএইচএআই) টেন্ডার ডেকেছে। চার লেনের সেতু তৈরির পুরনো সিদ্ধান্ত বাতিল করে ছয় লেনের সেতু তৈরি হবে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এজেন্সি ওই টেন্ডারে অংশ নিতে পারবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত কাজ শুরু করতে চায় সরকার।

    সাংসদের দাবি, “বিকল্প সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। এটি তৈরি হলে শুধু ডুয়ার্সের সঙ্গে শিলিগুড়ির যোগাযোগ উন্নত হবে না। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হবে।” প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে চার লেনের সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত বাতিল করে ছয় লেনের সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য ৮৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে কাজ শুরুর পর ৩ বছরের মধ্যে সেতু চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ডুয়ার্সের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার জন্য ১৯৪১ সালে সেবকে তিস্তা নদীর উপরে করোনেশন সেতু তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। চিকেনস নেক এলাকার পরিস্থিতি পাল্টেছে।

    চিন, নেপাল ও বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক বাহিনীর দ্রুত যাতায়াত ও রসদ পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। পুরনো সেতুটি একে দুর্বল হয়েছে। তার উপর ২০১১ সালে ফাটল ধরা পড়ে। সেতু দিয়ে ১০ টন বা তার বেশি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন নিরাপত্তার প্রয়োজনে বিকল্প সেতুর গুরুত্ব বাড়ে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিকল্প সেতু তৈরির দাবি জোরালো হয়, আন্দোলনও হয়েছে। সবশেষে দার্জিলিংয়ের সাংসদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় সরকার সেবকে দ্বিতীয় ছয় লেনের সেতু তৈরির ছাড়পত্র দেয়।
  • Link to this news (প্রতিদিন)