এই সময়, রায়দিঘি: ফের বড়সড় নাফল্য পেল সুন্দরবন জেলা পুলিশ। প্রবিবার রাতে গভীর সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সুপারি-সহ দু'টি মাছধরা ট্রলার আটক করল প্রায়দিঘি থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রায়দিঘি থানার আইসি বাজু বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী গভীর সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চালায়।
পুলিশের তাড়া খেয়ে এফবি লক্ষ্মীনারায়ণ ও ভাগ্যজ্যোতি নামে দু'টি ট্রলারের যাত্রীরা মাছধরা জাল নিয়ে মৎস্যজীবীর ছদ্মবেশে প্রায়দিঘিতে ঢোকার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। মাঝি-সহ ট্রলারের বাকিরা পালিয়ে যায়। পরে রায়দিঘির জেটিঘাটে ট্রলার দু'টির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ সুপারি। সেগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের আনুমান।
এই পাচারচক্রে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ট্রলার দু'টির রেজিস্ট্রেশন ধরে মালিকদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। আগেও একাধিকবার লুপারি ভর্তি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে প্রাওয়া করে আটক করেছিল ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী।
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, জলপথে বাংলাদেশ থেকে এই সুপারি বেআইনি ভাবে এ রাজ্যে পাচার করা হয়। সুন্দরবন উপকূল এলাকার একাধিক ট্রিলার মালিক ও ব্যবসায়ী এই বেআইনি কারবারে যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নাছ ধরার নাম করে পাচারকারীরা আসলে গোটা মৎস্যজীবী সমাজকে দুর্নাম করছে। পাচার রোখার ক্ষেত্রে কাস্টমস অফিসারদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন উপকূলের বাসিন্দারা।