• ‘লক-ইন পিরিয়ড এল কোথা থেকে?’ বকেয়া ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে উঠল প্রশ্ন
    এই সময় | ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • ৬৫ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে জানাল রাজ্য। একই সঙ্গে ডিএ মামলার শুনানিতে উঠল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার প্রসঙ্গও। মঙ্গলবার বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি পিকে মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে বকেয়া ডিএ নিয়ে যে মামলা, তার শুনানি হয়। সেখানে মামলাকারীর আইনজীবী করুণা নন্দী বলেন, ‘প্রভিডেন্ট ফান্ডের অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা দেওয়া হয়েছে বলা হচ্ছে। যদিও এই টাকা এখন তোলা যাবে না। দু’বছরের লক ইন পিরিয়ড আছে বলে জানানো হয়েছে।’ এ কথা শুনে বিচারপতি মিশ্র জানতে চান, ‘লক-ইন পিরিয়ড এলো কোথা থেকে? আমাদের রায়ে তো এমন কোনও কথা বলা হয়নি।’

    এ দিন শুনানিতে রাজ্যের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে জানান, ৬৫ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি পুরো বিষয়টি দেখছেন। ডিএ-র হার নিয়ে কিছু সমস্যা আছে বলে বলা হচ্ছে। তা নিয়ে কমিটিকেও তাঁরা জানাতে পারেন, সুপ্রিম কোর্টকেও জানাতে পারেন।

    বিচারপতি কারোল বলেন, ‘আপনি বলছেন, ৭৭০০ কোটি টাকা ডিএ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। অনেকে টাকা পেয়েছেন, অনেকে পাননি।’ এর পরেই আইনজীবী করুণা নন্দী পিএফ অ্যাকাউন্টে টাকার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। আদালত জানতে চায়, কোথা থেকে এই লক-ইন পিরিয়ড এল?

    এ নিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘আমি এখনই বলতে পারছি না যে লক-ইন পিরিয়ড কী, আমাকে সময় দিতে হবে?’ এ দিন বিচারপতি কারোল জানতে চান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশে গঠিত কমিটির সামনে কারা যাবেন? সবাই তো প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন না। আদালত জানতে চায়, কারা যাবেন কমিটির সামনে? নামের তালিকা দিতেও বলা হয়। সেই মতো অনুমতি দেওয়া হবে।

    আইনজীবী করুণা নন্দী জানান, প্রতিনিধিদের নামের তালিকা তৈরি করে আদালতকে জানানো হবে। মামলাকারীদের আর এক আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, এক একটি সংগঠনের একজন করে প্রতিনিধির নাম দেওয়া হোক।

    বিচারপতি কারোল যদিও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এটা তাঁরা বসেই ঠিক করুন। যা অভিযোগ আছে কমিটির সামনে জানাতেও বলা হয়। বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

  • Link to this news (এই সময়)