• এবার ধর্মীয় পর্যটন সার্কিটে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গখ্যাত শিবনিবাস! আশ্বাস মন্ত্রীর
    প্রতিদিন | ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • উত্তরবঙ্গের জল্পেশের মতো এবার এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গখ্যাত রাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত শৈবতীর্থ নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাসকে ধর্মীয় পর্যটন সার্কিটে অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। পাশাপাশি শিবনিবাসের শ্রাবণী মেলাকে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, এদিন ছিল শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। তার আগে রবিবার সাড়ে ১১টা নাগাদ শিবনিবাস মন্দিরে পৌঁছন পর্যটনমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন এলাকার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস। মন্দিরে পুজো দিয়ে দু’জনেই শিবলিঙ্গে জল ঢালেন। সেখানেই মন্ত্রী শিবনিবাসকে ঘিরে পর্যটন প্রসারের পরিকল্পনার কথা জানান। শিবনিবাসের শিবমন্দিরকে রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত ধর্মীয় পর্যটনের ‘রিলিজিয়াস সার্কিট’-এর অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “উত্তরবঙ্গের জল্পেশে প্রতি শ্রাবণ মাসে বিপুল সংখ্যক শিবভক্তের সমাগম হয়। একইভাবে শিবনিবাসেও শ্রাবণ মাসে হাজার হাজার মানুষ শিবের মাথায় জল ঢালতে আসেন। এই দুই ধর্মীয় কেন্দ্রকে ঘিরে পর্যটনের প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।” শিবনিবাসে প্রতিবছর যে বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী আসেন, তাঁদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আগামিদিনে পরিকাঠামো ও পরিষেবা আরও উন্নত করার বিষয়েও সরকার উদ্যোগী হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। অন্যদিকে, শ্রাবণের শেষ সোমবার হওয়ায় এদিন সকাল থেকেই শিবনিবাসে পুণ্যার্থীদের ঢল অব্যাহত ছিল। বৃষ্টি, কাদা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে কার্যত জনসমুদ্রের চেহারা নেয় মন্দির চত্বর। ভক্তসমাগম গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত সংখ্যায় পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মীরা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)