• বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের মাঝে পড়েই AK-47 চালানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে দাবি বিহার পুলিশের
    এই সময় | ১৮ আগস্ট ২০২৬
  • বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা ঘিরে ফেলেছিলেন পুলিশকর্মীকে। তাঁদের হাত থেকে বাঁচতেই একে-৪৭ চালানো হয়। তবে তাতে কেউই আহত হননি। বিতর্কের মাঝে সুপ্রিম কোর্টে এই দাবি করল বিহার পুলিশ। যদিও তারা মেনে নেয়, বিক্ষোভ ঠেকাতে এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার অনুচিত।

    দিল্লিতে ছাত্রবিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পেলেট গান বা ছররা বন্দুক ব্যবহার নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তার পরেই বিহারে একে-৪৭ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। বিহারের সিওয়ানের সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে আদালতে হলফনামা জমা দেয় পুলিশ। অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করে তারা জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেই হয়।

    সিওয়ানের ঘটনা সম্পর্কে বিহার পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের মাঝে আটকা পড়ে গিয়েছিলেন এক পুলিশ কনস্টেবল। নিজেকে বাঁচাতেই তিনি শূন্যে চার রাউন্ড গুলি চালিয়েছেন। তবে সরকার জানিয়েছে, সেই গুলিতে কেউই আহত হননি। এই ঘটনার পরে সংশ্লিষ্ট কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও চলছে। পাশাপাশি, রাজ্য পুলিশের ডিজি একে-৪৭ ব্যবহারের বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছেন।

    এক সপ্তাহ টানা জলে ভেসে থাকা ইকবাল এখন মুম্বইয়ে, কেমন আছেন তিনি?বিহার পুলিশ এ-ও জানিয়েছে, হাতিচকে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টর তাঁর ৯ এমএম পিস্তল থেকে দু’রাউন্ড গুলি চালান। তাতে তিন বিক্ষোভকারী সামান্য আঘাত পেয়েছেন। কিন্তু যেখানে একে-৪৭ ব্যবহার করা হয়, সেখানে কিছুই ঘটেনি। বিহার পুলিশ জানিয়েছে, ২২ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে ছাত্র বিক্ষোভের ঘটনায় মোট ৬৯টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। ৫০০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারও করা হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয় ২২২ জন আন্দোলনকারীকে, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীত অপরাধের রেকর্ড নেই। জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের মাধ্যমে মুক্তি দেওয়া হয়েছে ৭৫ জন নাবালককে।

  • Link to this news (এই সময়)