২৮ অগস্ট রাজ্য জুড়ে পালিত হবে রাখিবন্ধন উৎসব। বিশেষ এই দিনটিকে সরকারি ভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই নিয়ে মঙ্গলবার নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। সেখানে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা দিতেই রাখিবন্ধন পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ উল্লেখ্য, গত ১০ অগস্ট তেরঙা যাত্রায় যোগ দিয়ে সরকারি উদ্যোগে রাখিবন্ধন পালনের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো এদিন নির্দেশিকা জারি হলো।
গ্রাম ও শহরে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর যৌথ ভাবে রাখি বন্ধন কর্মসূচি পালন করবে। উদযাপনের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে তেরঙা রাখি। রাজ্যের যুব ও ক্রীড়া দপ্তরকে জেলায় জেলায় এই রাখি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি রাখিবন্ধনকে সামনে রেখে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্রনৃত্যের পাশাপাশি স্থানীয় লোকশিল্পীদের পরিবেশনায় বাউল ও লোকসঙ্গীতের আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে স্বনির্ভর গোষ্ঠী, যুব সংগঠন, মহিলা সমিতি এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকেও এই অনুষ্ঠানে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, ব্লক, মহকুমা ও জেলা সদরে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভা-সহ অন্যান্য পুরসভায় অন্তত ৪-৫টি নির্বাচিত ওয়ার্ডেও রাখিবন্ধন উদযাপন করা হবে।
রাখিবন্ধন উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দের অনুমোদন আগেই দেওয়া হয়েছে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। যুব কল্যাণ দপ্তর জেলাগুলিতে বরাদ্দ অর্থ পাঠিয়ে দেবে। তবে সেই অর্থ খরচের ক্ষেত্রে আর্থিক বিধি মেনে চলতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে ছবি-সহ কর্মসূচির অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১. কবে রাজ্যজুড়ে রাখিবন্ধন উৎসব পালিত হবে?
২৮ অগস্ট রাজ্যজুড়ে সরকারি ভাবে রাখিবন্ধন উৎসব পালিত হবে।
২. কেন সরকারি ভাবে রাখিবন্ধন পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?
জাতীয় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩. কোন কোন দপ্তর রাখিবন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করবে?
রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর যৌথ ভাবে কর্মসূচির আয়োজন করবে।
৪. রাখিবন্ধন উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ কী?
এ বারের সরকারি কর্মসূচিতে তেরঙা রাখি বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে।
৫. তেরঙা রাখি কোথায় পৌঁছে দেওয়া হবে?
যুব ও ক্রীড়া দপ্তরকে জেলায় জেলায় তেরঙা রাখি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৬. রাখিবন্ধন উপলক্ষে কী কী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে?
রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্রনৃত্যের পাশাপাশি বাউল এবং লোকসঙ্গীতের আয়োজন করা হবে। স্থানীয় লোকশিল্পীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
৭. কারা রাখিবন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন?
স্বনির্ভর গোষ্ঠী, যুব সংগঠন, মহিলা সমিতি এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৮. রাজ্যের কোথায় কোথায় রাখিবন্ধন পালন করা হবে?
প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, ব্লক, মহকুমা ও জেলা সদরে কর্মসূচি হবে। কলকাতা পুরসভা-সহ অন্যান্য পুরসভাতেও নির্বাচিত ওয়ার্ডে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
৯. শহরের পুরসভাগুলিতে কী ভাবে অনুষ্ঠান হবে?
কলকাতা পুরসভা-সহ অন্যান্য পুরসভায় অন্তত ৪-৫টি নির্বাচিত ওয়ার্ডে রাখিবন্ধন উদযাপন করা হবে।
১০. রাখিবন্ধন কর্মসূচির জন্য অর্থ কোথা থেকে আসবে?
প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দের অনুমোদন আগেই দেওয়া হয়েছে। যুব কল্যাণ দপ্তর জেলাগুলিতে বরাদ্দ অর্থ পাঠাবে।
১১. বরাদ্দ অর্থ খরচের ক্ষেত্রে কী নিয়ম মানতে হবে?
সরকারি আর্থিক বিধি মেনেই বরাদ্দ অর্থ খরচ করতে হবে।
১২. অনুষ্ঠান শেষে কী রিপোর্ট দিতে হবে?
ছবি-সহ কর্মসূচির অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে হবে।