যুবসমাজের মধ্যে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছেন তিনি। মোদি সরকারের ১২ বছরে যে কাজটা আর কেউ করতে পারেননি সেটাই করে দেখিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Dipke)। তাঁর নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছে। যার জেরে ইস্তফা দিতে হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকেও। বস্তুত এই মুহূর্তে দেশে বিজেপি বিরোধী প্রধান মুখেদের অন্যতম ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতে। সেই তাঁকেই কিনা এবার এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে।
সোমবার কেন্দ্রের সামাজিক ন্যায়মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে দীপকে-কে নিজের দল রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এ)-তে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আঠাওয়ালের দল আরপিআই (এ) সেই ২০১৪ সাল থেকে এনডিএর অংশ। আঠাওয়ালে নিজে দীর্ঘদিনের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলছেন, “আমার ধারণা অভিজিৎ দীপকে আম্বেদকরের ভাবধারায় বিশ্বাসী। তিনি কম বয়সি এবং খুবই সক্রিয়। তাঁর রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এ)-তে যোগদান করার কথা ভাবা উচিত।”
এরপর নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে খানিক রসিকতাও করেছেন আঠাওয়াল। তাঁর কথায়, “আমাদের সরকার বিশ্বাস করে কেউ ভুল করলে তার শাস্তি পাওয়া উচিত। তাই দীপকের শাসক জোটে যোগ দেওয়া উচিত।” আঠাওয়ালের দল এমনিতে বড্ড দুর্বল। সেভাবে লোকসভা বা বিধানসভায় কোথাও উপস্থিতি নেই। এই মুহূর্তে যেটুকু অস্তিত্ব তাঁর আছে, সবটাই মহারাষ্ট্রে। দীপকেও সে রাজ্যের বাসিন্দা। আগামী দিনে তাঁর কি আরপিআইতে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে? নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কি কাজ করবেন তিনি? এখনও এ নিয়ে দীপকের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
যদিও অতীতে তিনি জানিয়েছিলেন সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিশেষ ইচ্ছা তাঁর নেই। দীপকের বক্তব্য ছিল, তিনি কোনও দলেই যোগ দিতে চান না। দেশের রাজনৈতিক সিস্টেমের উপরই তাঁর আস্থা নেই। তাঁর মতে, মানুষ যেভাবে রাজনীতির উপর আস্থা হারাচ্ছে, তাতে গণআন্দোলনই সংস্কারের পথ।