• Kolkata Hotel Fire: পাঁচ সদস্যের সিট গঠন করে তদন্ত শুরু, স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের দমকলের তরফে
    এই সময় | ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • ধর্মতলার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে গঠন করা হলো স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা SIT। পাঁচ সদস্যের এই সিট-এর মাথায় থাকছেন ডিসি ডিডি পদমর্যাদার অফিসার। বুধবার অ্যাডিশনাল সিপি (অপরাধ দমন শাখা) কুণাল আগরওয়াল জানান, SIT গঠনের পাশাপাশি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে দমকলের তরফে।

    মঙ্গলবার মধ্যরাতে ধর্মতলার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন নামে এক হোটেলে আগুন লাগে। দমকলের সদর দপ্তরের পাশেই এই হোটেল। পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ের প্রতিটি ফ্লোরে তিন-চারটি ছোট ছোট হোটেল রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। অপ্রশস্ত পরিসরে তৈরি হোটেল। চলাফেরার জায়গাটুকু নেই। হোটেলে আগুন নেভানোর ব্যবস্থা আদৌ আছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। অথচ এই হোটেলে নিয়মিত ভিন রাজ্য, এমনকী ভিন দেশ থেকেও লোক এসে থাকেন। এখানে প্রশাসনিক নজরদারি কতটা চলত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    অ্যাডিশনাল সিপি (ক্রাইম) জানান, ডিজি ফায়ার, সিনিয়র অফিসাররা দেখছেন আগুন কী ভাবে লাগল? কতজনের মৃত্যু হয়েছে, কোনও ক্রিমিন্যাল অ্যাক্টিভিটি রয়েছে কি না, সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা দপ্তরের হোমিসাইড তদন্তভার নিয়েছে। তিন-চারটি বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাওয়া গিয়েছে, সেগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    এ দিন সকালে ঘটনাস্থলে যান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি জানান, এই হোটেলে একটা এসির পারমিশন নিয়ে ১০টা এসি চালানো হতো। CESC কী করে লাইন দিল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে মন্ত্রী জানান, ফায়ার লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, বিজেপি সরকার তা নেবে। অগ্নিমিত্রা কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

    অগ্নিমিত্রা বলেন, ‘আমার জায়গায় আগে যিনি ছিলেন, তিনি কী করেছেন? ট্রেড লাইসেন্স দিল কে? সিইএসসি কী করে অনুমতি দিল?’ প্রাক্তন মেয়র ও প্রাক্তন পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে কি না, সেই ব্যাপারে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট পেশ করবেন বলেও জানান। তবে ফিরহাদের পাল্টা বক্তব্য, ‘ফায়ার লাইসেন্স ছিল কি না, অডিট হয়েছিল না হয়নি, সেটা দেখার দায়িত্ব দমকলের। তারা বলতে পারবে। ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, সেটা একজন মেয়রের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়।’

  • Link to this news (এই সময়)