• হিংসায় উসকানি থেকে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত! মহুয়ার বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
    প্রতিদিন | ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। ওয়ারেন্ট ইস্যু করল কৃষ্ণনগর জেলা আদলত। তাতে আরও বিপাকে পড়ল কৃষ্ণনগরের সাংসদ। হিংসায় উসকানি, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, তুলসী মালা-সহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারতীয় সেনাবাহিনী  নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের মামলায় এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ঘূর্ণির কয়েকজন মহিলা। তাঁদের দাবি ছিল, মহুয়ার একের পর এক আপত্তিজনক মন্তব্য করে গিয়েছেন। সেই মামলাটি ওঠে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে। কয়েকবার শুনানির পর মহুয়াকে এ দিন বুধবার সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। কিন্তু মহুয়া এ দিন আদালতে হাজিরা দেননি। আইনজীবী মারফত সাংসদ জানান, তিনি আসতে পারবেন না। এরপরই নিম্ন আদালত মহুয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর্যায়ে আদালত মহুয়া মৈত্রকে একাধিকবার নোটিস ও সমন পাঠিয়েছিল। নোটিস পাওয়ার পরেও মহুয়া হাজির হননি বলে আদালতের আগের নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে ১২ আগস্ট হাজিরার দিন ধার্য করে আদালত। সেই সমনও পৌঁছনোর পর নির্ধারিত দিনে হাজির হননি মহুয়া। ১৮ আগস্ট আদালত তাঁকে আরও এক বার হাজিরা দেওয়ার সুযোগ দেন। মহুয়ার পক্ষ থেকে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মপক্ষ সর্মথনের কথা বলা হয়। আদালত তখন জানায়, আগে মহুয়াকে সশরীরে হাজির হতে হবে, তার পরেই ওই আবেদন বিবেচনা করা হবে।

    কিন্তু বুধবারও হাজিরা দেননি সাংসদ। তারপরই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল আদালত। মহুয়ার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির খবর জানার পর শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “এদের অনেক দম্ভ। কোথায় কী বলতে হয় কোনও ধারণা নেই। কিছু না করে পদ পেয়ে গেলে, যা হয়। আদালত যা মনে করেছে সেই নির্দেশ দিয়েছে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)