• কোর্টের নির্দেশে ‘অস্থায়ী’, বিরোধী দলনেতা হিসাবে সেই ঋতব্রতর নাম উঠল বিধানসভার বোর্ডে
    প্রতিদিন | ২০ আগস্ট ২০২৬
  • বিরোধী দলনেতা মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কা খেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। মঙ্গলবারই আদালতের তরফে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী আপাতত বিরোধী দলনেতার আসনে বহাল থাকবেন ‘আসল তৃণমূলে’র ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আগামী ২ মাসের মধ্যে হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। তারপরই চূড়ান্ত হবে স্থায়ী বিরোধী দলনেতার আসন কে পাবেন। শুধু তাই নয়, স্পিকারের সিদ্ধান্ত যে ‘অস্থায়ী’ তাও উল্লেখ করা হয়েছে আদালতের তরফে। আদালতের এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরই বিরোধী দলনেতার বোর্ডে উঠল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। যেখানে প্রথম বিরোধী দলনেতা হিসাবে নাম রয়েছে জ্যোতি বসুরও।

    রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল ও আসল তৃণমূলের দড়ি টানাটানি চলছে। অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে ঋতব্রতর নামে সিলমোহর দেন। যদিও এর বিরোধিতা করে হাই কোর্টে মামলা করেন কালীঘাট তৃণমূলের মনোনীত বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ও অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠায়। শুধু তাই নয়, আগামী ২ মাসের মধ্যে এই মামলার নিষ্পত্তি সিঙ্গল বেঞ্চকে করতে হবে বলেও জানিয়ে দেয়। ততদিন অর্থাৎ আগামী ২ মাস বিরোধী দলনেতার পদে থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। আদালতের এহেন নির্দেশ সামনে আসতেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতাদের নামের যে তালিকা রয়েছে সেখানে যুক্ত হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।

    ১৯৮৭ সাল থেকে কে কতবছর বিরোধী দলনেতা হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন, এমন সবারই নাম রয়েছে সেখানে। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে সবার শীর্ষে রয়েছেন জ্যোতি বসু। বোর্ডে দেওয়া তথ্য বলছে, ১৯৮৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এরপর থেকে কারা বিরোধী দলনেতা ছিলেন, সবটাই সাল উল্লেখ করে তুলে ধরা হয়েছে ওই বোর্ডে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)