নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আনন্দপুর এলাকার দি হেরিটেজ স্কুলে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে সাপে কামড়ানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে অভিভাবক মহলে। মঙ্গলবার তিনতলায় শৌচাগারে বছর আটেকের ওই ছাত্রীকে সাপে কামড়ায় বলে জানা গিয়েছে। তবে, অভিভাবকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষয়টি জানা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট শ্রেণির শিক্ষিকা তাকে সিক রুমে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে, পরবর্তীতে অভিভাবকরা জানতে পেরে পড়ুয়াকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন। তাকে পরবর্তীতে নিকুতে স্থানান্তরিত করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী স্থিতিশীল। সাপটিও নির্বিষ ছিল। তাকে বুধবারই ছুটি দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে বুধবার স্কুলের মুখপাত্র পার্থসারথি ভাওয়াল প্রথমে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে ফোন কেটে দেন। সেটাই প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে জানানোর পরে তিনি ফোন করে হেরিটেজ স্কুলের কর্ণধার সঞ্জয় আগরওয়ালের সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দেন। সঞ্জয়বাবু বলেন, এটা নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। যা বলার প্রিন্সিপাল বলবেন। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতেই অধ্যক্ষা সীমা সাপ্রুর তরফে অভিভাবকদের জানিয়ে দেওয়া হয়, এই ঘটনার ফলে স্কুল পরিষ্কার করার জন্য বুধবার বন্ধ রাখা হচ্ছে। বনদপ্তরে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা সাপ খুঁজে দেখবে। এদিন ফোন করা হলে তিনি জানান, হাসপাতালে ছাত্রী এবং তার পরিবারের সঙ্গেই আছেন তিনি। ছাত্রী ভালো আছে। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, বন্ধুদের কাছে বললেও শিক্ষিকার কাছে সাপের কামড়ের বিষয়টি চেপে যায় ছাত্রী। বাড়িতেও জানায়নি। পরে এক বন্ধুর বাড়ি থেকে ছাত্রীর অভিভাবকদের সাপে কামড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়। তারপরেই তাকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। আগাগোড়া পাশে ছিল স্কুল। অন্যদিকে, বেসরকারি হাসপাতালটির তরফে আবার দাবি করা হয়েছে, এটি সম্ভবত সাপের কামড়ের ঘটনা নয়। অন্য কোনো সরীসৃপ হতে পারে। কোনো অ্যান্টি ভেনম দিতে হয়নি। তাই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।