ধর্ষণ মামলায় ‘তেহলকা’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক তরুণ তেজপালকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ তেজপাল।
গত ৬ অগস্ট উচ্চ আদালত ধর্ষণ মামলার রায় দেওয়ার সময়ে তেজপালকে দু’সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে তেজপালের আইনজীবীর অনুরোধের ভিত্তিতে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে চার সপ্তাহ করা হয়। উচ্চ আদালত যে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে, তা তেজপালের অপরাধের বিচারে লঘু সাজা বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে আগেই গিয়েছে গোয়া সরকার। এ বার তেজপালও গেলেন শীর্ষ আদালতে।
২০১৩ সালে গোয়ায় একটি সম্মেলন চলাকালীন এক মহিলা সহকর্মীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে তরুণের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা অভিযোগ করেন, গোয়ার এক হোটেলের লিফটে তাঁকে যৌন হেনস্থা করা হয়। গোয়া পুলিশের কাছে এফআইআর হয়। ২০১৩ সালে গ্রেপ্তার হন তরুণ। ২০১৪ সালের জুলাইয়ে জামিনও পান। ২০১৭ সালে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে সেই মামলায় রেহাই পান তিনি। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার। বৃহস্পতিবার ধর্ষণ মামলায় তরুণকে দোষী সাব্যস্ত করে বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ।