চম্পাহাটিতে ফের বাজি ‘কারখানায়’ বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। যদিও পুলিশের দাবি, ঘটনায় আহতের সংখ্যা দুই। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, জনবসতি থেকে কিছুটা দূরে একটি জমির মধ্যে ঘর তৈরি করে বাজি তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কেন এই বিস্ফোরণ হলো, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ঘটনার খবর পেয়ে দমকলের কর্মীদের দেরিতে পৌঁছনোর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ছিলেন বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস।
এলাকায় পৌঁছে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের জেরে গোটা এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। টিনের চাল ও কাঠামো ভেঙে পড়েছে, চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে পুড়ে যাওয়া বাঁশ ও অন্যান্য সামগ্রী। একাধিক জায়গা থেকে এখনও ধোঁয়া বেরোতে দেখা যাচ্ছে। আশপাশের গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কী ভাবে বিস্ফোরণ ঘটল এবং সেখানে বেআইনিভাবে বাজি তৈরির কাজ চলছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।
তবে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই চম্পাহাটিতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ একজনের মৃত্যু হয়। যদিও দুই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর, নদিয়ায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা এর আগেও বহুবার ঘটেছে। এমনকী ২০১৫ সালের পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১০ জন নাবালকের মৃত্যু হয়েছিল। তদন্ত কমিটি থেকে শুরু করে অনেক কিছুই হয়েছে। তবে পরিস্থিতি যে বদলায়নি, এ দিনের ঘটনা সে দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।