• Kolkata Fire: বাড়ির লোক ভেবেছিল, সুস্থ হয়ে ফিরবে! ফিরছে দেহ... সাতক্ষীরার দুই বাসিন্দার পরিচয় জানা গেল
    এই সময় | ২১ আগস্ট ২০২৬
  • ধর্মতলার মির্জ়া গালিব স্ট্রিটের হোটেলে আগুনের ঘটনায় বাংলাদেশের এক সাংবাদিকের সপরিবার মৃত্যুর খবর সামনে এসেছিল বুধবারই। কুষ্টিয়ায় বাড়ি তাঁদের। এ বার সামনে এল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার দু’জনের মৃত্যুর খবর। একজন বরেয়ার বাসিন্দা আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫)। দ্বিতীয় জন তেঁতুলিয়ার রেবতী সরকার।

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে সাজুর দাদা সাহেব সর্দার জানান, ৫-৬ দিন আগে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন ভাই। মূলত চেকআপের জন্য গিয়েছিলেন তিনি। বুধবার সন্ধে ৬টা নাগাদ বাড়িতে খবর যায়, হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় সাজু মারা গিয়েছেন। তাঁদের এক আত্মীয় কলকাতায় আছেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সাজুকে শনাক্ত করেন।

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন ডট কমের খবর অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে কোমরের ব্যথায় ভুগছিলেন সাজু। চিকিৎসা চলছিল। ডাক্তার দেখাতে আসেন ভারতে। বুধবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগের রাতেই মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে। বাড়ির লোকেরা এখন দেহের অপেক্ষায়। নিয়মকানুন মেনে যা যা করার, করা হচ্ছে। বাড়ির লোকেরা অপেক্ষায়, কখন দেহ ফিরবে।

    অন্যদিকে তেঁতুলিয়া গ্রামের রেবতী সরকারের বাড়িতেও একই ছবি। রেবতীর দেওর তপন সরকার জানান, চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তিনি ভারতে চিকিৎসার জন্য আসেন। শনিবার বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। রেবতীর স্বামী ভবেশ সরকারও রয়েছেন কলকাতায়। রেবতী ও ভবেশের দুই সন্তান। ছেলে অনীক সরকার কলেজে সেকেন্ড ইয়ার পড়ে, মেয়ে তৃষা সরকার পড়ে ক্লাস টুয়েলভে।

    মঙ্গলবার রাত ২টো নাগাদ ধর্মতলার মির্জ়া গালিব স্ট্রিটের বহুতলের তিন তলায় ‘শিখা ইন’ নামে একটি হোটেলে আগুন লাগে! আগুনের লেলিহান শিখা গোটা বহুতলকে গ্রাস না করলেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সিঁড়ি, করিডর এবং বাইরে বেরোনোর একমাত্র পথটিও। মৃত্যু হয় ৯ জনের। এর মধ্যে দু’জন ভারতীয়। বাকি সাত জন বাংলাদেশের। পাঁচ সদস্যের সিট গঠন করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন হোটেলটি যিনি লিজ় নিয়েছিলেন, সেই ব্যক্তি।

  • Link to this news (এই সময়)