• মায়ের মরদেহ আনতে যাচ্ছিলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু ছেলের, শোকের ছায়া সামশেরগঞ্জে
    এই সময় | ২১ আগস্ট ২০২৬
  • মায়ের মৃতদেহ আনতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হলো ছেলের। মৃত যুবকের নাম আহসান আলি (২৯)। রেল পুলিশের দাবি, প্ল্যাটফর্ম ও চলন্ত ট্রেনের মাঝে পড়ে যান তিনি। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের নিমতিতা পঞ্চায়েতের শেরপুর গ্রামের ঘটনা। দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন আহসানের মা সালেমা বিবি (৬০)। তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মৃত্যু হয় তাঁর। খবর পেয়েই হাসপাতালে যান আহসান এবং তাঁর দুই দাদা। রাতে হাসপাতালেই থেকে যান দাদারা। বাড়ি ফিরে আসেন আহসান।

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে মায়ের মরদেহ আনতে জঙ্গিপুর রওনা হন আহসান। সকাল সওয়া সাতটা নাগাদ নিমতিতা স্টেশনে পৌঁছন তিনি। সেখান থেকে হাওড়াগামী ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ওঠার সময়ে তাঁর পা পিছলে যায়। রেল পুলিশের দাবি, প্ল্যাটফর্ম ও চলন্ত ট্রেনের মাঝে পড়ে যান তিনি। ট্রেন ছেড়ে দেওয়ায় গুরুতর জখম হন আহসান।

    ধুলিয়ান স্টেশনের আরপিএফ ও জিআরপি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহসানকে উদ্ধার করে নিমতিতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার। আহসানের দাদা মইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দুই ভাই হাসপাতালে থেকে যাই। ছোট ভাই আহসানকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেছিলাম। শুক্রবার সকালে মায়ের দেহ। গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য সে ফের হাসপাতালে আসছিল। সেই সময়ই স্টেশনে দুর্ঘটনা ঘটে।’

    প্রশ্ন: আহসান আলির কী ভাবে মৃত্যু হয়?

    উত্তর: মায়ের মৃতদেহ আনতে যাওয়ার পথে নিমতিতা স্টেশনে ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ওঠার সময় পা পিছলে প্ল্যাটফর্ম ও চলন্ত ট্রেনের মাঝে পড়ে যান তিনি। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়।

    প্রশ্ন: কোথায় এই দুর্ঘটনা ঘটে?

    উত্তর: মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের নিমতিতা স্টেশনে শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    প্রশ্ন: কেন আহসান আলি জঙ্গিপুর যাচ্ছিলেন?

    উত্তর: তাঁর মা সালেমা বিবি বৃহস্পতিবার রাতে অসুস্থ হয়ে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে মায়ের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য জঙ্গিপুর যাচ্ছিলেন আহসান।

    প্রশ্ন: আহসানের মা কখন মারা যান?

    উত্তর: বৃহস্পতিবার রাতে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সালেমা বিবির মৃত্যু হয়।

    প্রশ্ন: দুর্ঘটনার তদন্ত কে করছে?

    উত্তর: রেল পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

  • Link to this news (এই সময়)