ফের দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু আন্দোলন। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সংরক্ষণ নীতি’র বিরুদ্ধে শুক্রবার যন্তর মন্তরে হাজির হন আন্দোলনকারীরা। এই কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারী জড়ো হন বলে অভিযোগ। দিল্লি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করেছে বলে খবর।
মূলত, সমাজমাধ্যমে এই কর্মসূচির প্রচার করা হয়েছিল। সেই প্রচারের পরিপ্রেক্ষিতেই এ দিন সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল। যদিও দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, যন্তর মন্তরে কোনও ধরনের সমাবেশ বা বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে পুলিশ প্রশাসন রামলীলা ময়দানে সর্বোচ্চ ৫০০ জনের উপস্থিতিতে বিকেল ৪টে পর্যন্ত একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অনুমতি প্রদান করে।
আন্দোলনকারীদের দাবি হলো— দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তি এবং সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জাতিভিত্তিক সংরক্ষণ তুলে দিতে হবে।
পরিবর্তে কেবল মেধা ও অর্থনৈতিক যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, 'এক দেশ, এক পরিচয়' নীতি মেনে জাতিগত পরিচয় ব্যবস্থার অবসান ঘটানো উচিত।
শুধু দরিদ্র, প্রতিবন্ধী বা শহিদ পরিবারের সন্তানদের জন্য বিশেষ সরকারি সহায়তা থাকা উচিত।
যদিও শুক্রবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তরে বিপুলসংখ্যক যুবক ও আন্দোলনকারী জড়ো হতে শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিড় বাড়তে থাকে। বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরতে রাজি না হলে পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেয় এবং গাড়ি ও বাস বোঝাই করে সরিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জুন মাসেই দিল্লির যন্তর মন্তরে NEET-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। প্রায় দীর্ঘ দুই মাস ধরে চলা আন্দোলনের পরে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।