জাতীয় শিক্ষানীতি পুরোপুরিভাবে রাজ্যে কার্যকর করা হবে: মন্ত্রী
বর্তমান | ২২ আগস্ট ২০২৬
সংবাদদাতা, হলদিয়া: ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০’ পুরোপুরিভাবে রাজ্যে কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে নতুন সরকার। এই শিক্ষানীতির মাধ্যমে রাজ্যে তরুণ প্রজন্মকে স্কুল থেকেই উদ্যোগপতি গড়ে তোলার কাজ শুরু হচ্ছে। শুক্রবার হলদিয়ায় সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ পরিচালকদের ‘ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং’ শিবিরের উদ্বোধন করে একথা বলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী হরেকৃষ্ণ বেরা। তিনি বলেন, ২১ আগস্ট ওয়ার্ল্ড এন্টারপ্রিনিউয়ারশিপ ডে বা বিশ্ব উদ্যমিতা দিবসে এধরনের শিবির খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। জাতীয় শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য, স্কুল কলেজের পাঠক্রমের মধ্য দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোগপতি হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা। সকলে চাকরি পাবে না, কিন্তু নিজের পায়ে দাঁড়াতে ব্যবসা বাণিজ্য করবে। এজন্য আইটিআই, জনশিক্ষণের মতো সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। কেন্দ্র সরকারের স্কিল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রিনিউয়ারশিপ মন্ত্রকের অধীন রাজ্যে জনশিক্ষণ সংস্থানগুলির কর্মীদের পরিচালনা সংক্রান্ত কাজের দক্ষতা বাড়াতে ২১ ও ২২ আগস্ট দু›দিন ধরে হলদিয়ায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হলদিয়ার সরকারি আইটিআই কলেজের অডিটোরিয়ামে ওই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আইটিআই কলেজ কর্তৃপক্ষ এই শিবিরে সহযোগিতা করছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ৮টি জনশিক্ষণ সংস্থানের ডিরেক্টর সহ ৬০ জন স্টাফ শিবিরে অংশ নিয়েছেন। হলদিয়ার জনশিক্ষণ সংস্থান এবার এই শিবিরের আয়োজন করেছে।
এদিন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রদীপ বিজলি, স্কিল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রকের রিজিওনাল ডিরেক্টর টি রগুলান, আইটিআই কলেজের প্রিন্সিপাল প্রসেনজিৎ ঘোষ, স্বামী বিবেকাত্মানন্দজি মহারাজ, হলদিয়া জনশিক্ষণ সংস্থানের ডিরেক্টর সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। জনশিক্ষণ সংস্থানের এক আধিকারিক বলেন, আইটিআইগুলিতে ভরতির ন্যূনতম যোগ্যতা ক্লাস এইট বা টেন পাশ হতে হবে। জনশিক্ষণ সংস্থানে ন্যূনতম অক্ষরজ্ঞান থাকলে প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়। মূলত সমাজের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বনির্ভর করাই জনশিক্ষণ সংস্থানের লক্ষ্য। রাজ্যের সমস্ত জেলায় একটি করে জনশিক্ষণ সংস্থান কেন্দ্র গড়ার জন্য এদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের রিজিওন্যাল ডিরেক্টরকে আবেদন জানানো হয়েছে।-নিজস্ব চিত্র