• তারাপীঠ ও কলকাতার অগ্নিকাণ্ডের পরে তৎপরতা, পুলিশ এসে কড়া নাড়ছে সব দুয়ারে
    এই সময় | ২২ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময়, ধূপগুড়ি: জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে একাধিক লজ, হোটেল, রেস্তোরাঁ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল পরিদর্শনের পরে অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে দমকল বিভাগ। কোথাও পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই, কোথাও আবার নেই জরুরি ইমার্জেন্সি এগজ়িট। ঘিঞ্জি এলাকায় গড়ে ওঠা একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কোনওভাবে আগুন লাগলে পরিস্থিতি যে ভয়াবহ আকার নিতে পারে, স্বীকার করেছেন দমকল কর্তৃপক্ষ। সেই কারণে ধূপগুড়ির ২৭টি প্রতিষ্ঠানকে নোটিস দিয়েছে দমকল বিভাগ। তাদের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধরনের ভবন ও প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য বিকল্প পথ থাকার কথা। কিন্তু ধূপগুড়ির একাধিক প্রতিষ্ঠানে সেই নিয়ম যথাযথ ভাবে মানা হয়নি বলে অভিযোগ।

    ধূপগুড়ি দমকল বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, 'ইতিমধ্যেই আমরা ধূপগুড়ি মহকুমার দু'টি ব্লক বানাহাট এবং ধূপগুড়ির সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং বহুতল পরিদর্শন করেছি। দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ বহুতল লজ, হোটেল রেস্তোরাঁয় ফায়ার লাইসেন্স নেই। অগ্নিনিরাপত্তায় ঘাটতি নজরে আসায় ২৭টি প্রতিষ্ঠানকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।' অম্বিকা লজের ম্যানেজার সুভাষ রায় বলেন, 'যে ভবনে লজ হয়েছে, তার উল্টো পাশে রয়েছে রেস্তোরাঁ এবং নীচতলায় বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক। সকলকে একটি পথ দিয়ে ওঠানামা করতে হয়। দমকল বিভাগের তরফে আমাদের নোটিস দেওয়া হয়েছিল। আমরা বিষয়টি বিল্ডিংয়ের মালিককে জানিয়েছি।'

    উত্তরায়ণ লজের মালিক পঙ্কজ নাগ বলেন, 'দমকল বিভাগের তরফে যে নোটিস দেওয়া হয়েছিল, তার উত্তর আমরা দিয়েছি।' শহরবাসীর প্রশ্ন, নোটিস দেওয়ার পরেও যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলি অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি পূরণ না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কেন আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

  • Link to this news (এই সময়)