• স্বাস্থ্যসাথী, আয়ুষ্মান না মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা, কোন কার্ডে কীভাবে FREE চিকিৎসা? জানাল স্বাস্থ্য দফতর
    আজ তক | ২২ আগস্ট ২০২৬
  • এই মুহূর্তে রাজ্যে একসঙ্গে স্বাস্থ্যসাথী, আয়ুষ্মান ভারত এবং মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা কার্যকর। কিন্তু হাসপাতালে গেলে কোন প্রকল্পের আওতায় আপনার চিকিৎসা হবে? কোন প্রকল্পের সুবিধা পাবেন আপনি? এই নিয়ে যাবতীয় বিভ্রান্তি দূর করতে একটি SOP জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। 

    স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালেই মিলবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার আবেদনপত্র। 

    অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, অনেক রোগীর এখনও পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত কার্ড তৈরি হয়নি কিংবা তাঁদের e-KYC যাচাইকরণের কাজও সম্পন্ন হয়নি। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে কোনও রোগীকে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া চলবে না। কার্ড না তৈরি হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আপাতত স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতাতেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে হবে হাসপাতালগুলিকে। চিকিৎসা যেন মাঝপথে থমকে না যায়, তা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। 

    চিকিৎসাকেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যদি কোনও উপভোক্তার e-KYC অসম্পূর্ণ থাকে, তবে NHA পোর্টাল থেকে দ্রুত সেই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া হাসপাতালকেই চালু করে দিতে হবে। 

    কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রশ্ন উঠছে, একজন রোগী ভর্তি হতে এলে ঠিক কীভাবে ঠিক করা হবে তিনি কোন বিমার সুবিধা পাবেন, স্বাস্থ্যসাথী নাকি আয়ুষ্মান ভারত? 

    SOP অনুযায়ী, হাসপাতালে রোগী পৌঁছানো মাত্রই ভর্তির প্রাথমিক ধাপে স্বাস্থ্যসাথীর ‘ট্রানজাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ পোর্টালে তাঁর আধার তথ্য যাচাই করতে হবে। দেখা হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আয়ুষ্মান ভারতের যোগ্য কি না। যদি ইতিমধ্যে তাঁর আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি হয়ে থাকে, তবে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে সেই স্কিমের অধীনেই চিকিৎসা শুরু হবে। কিন্তু যদি দেখা যায় রোগী আয়ুষ্মানের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ নন, সে ক্ষেত্রে সরাসরি স্বাস্থ্যসাথী বিমার আওতায় চিকিৎসা চালানো হবে। 

    তবে এ-ও বলা হয়েছে, আধার যাচাইয়ের সময় আয়ুষ্মান পোর্টালে কোনও ধরনের টেকনিক্যাল ত্রুটি থাকলে হাসপাতালকে পোর্টালে ‘ফেসিং ইস্যু’ বিকল্পটি নির্বাচন করতে হবে। কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে, তার বিস্তারিত বিবরণ লিখে স্ক্রিনশট আপলোড করার পরেই স্ক্রিনে ‘প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী’ বিকল্প ভেসে উঠবে এবং সেখানে ক্লিক করে স্বাস্থ্যসাথীতে চিকিৎসা করাতে হবে। 

    আর যদি দুই প্রকল্পের কোনওটিতেই রোগীর নাম না মেলে তবে? তৎক্ষণাৎ রোগীকে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার ফর্ম পূরণ করিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাসপাতালগুলিকে। 

    জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৮.৫ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা পাচ্ছেন। পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে আয়ুষ্মান ভারত চালু হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই এই পোর্টালে নথিভুক্ত হয়েছেন ৩.৪ কোটিরও বেশি মানুষ।

     
  • Link to this news (আজ তক)