• ‘বিদেশি শক্তিই উস্কানি দিয়ে ককরোচ বানাচ্ছে, ড্রাগ ধরাচ্ছে’, মন্তব্য কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের
    এই সময় | ২৩ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময়: কিছু বিদেশি শক্তি ভারতের তরুণ প্রজন্মকে ‘ককরোচ’ বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের মাদকের নেশা ধরানোর চেষ্টাও করছে। এই মন্তব্য করেছেন কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহন কুন্নুম্মাল। উপাচার্য তাঁর আগের একটি মন্তব্য ঘিরে যে বিতর্ক হয়েছিল, সেই প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। সম্প্রতি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া ছাত্রদের সংবর্ধনা জানানোর এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ছাত্ররা ককরোচ নয়, তারা সিংহ।

    সেখানে তিনি দর্শকাসনে বসে থাকা ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, তাঁরা যদি ককরোচ না হয়ে থাকেন, তা হলে সমস্বরে বলুন। কিন্তু সেখানে বসে থাকা দু-এক জন বাদে কেউ উপাচার্যের অনুরোধে কান দেননি। এই অস্বস্তিকর পরিবেশ হওয়ার কারণে উপাচার্য তাঁর ব্যাখ্যায় পরে বলেন, ছাত্ররা অধিকাংশই তরুণ, তাঁরা তাঁর বক্তব্য ঠিক বুঝতে পারেননি। ছাত্রদের অনেকে নাকি তাঁকে পরে বলেছেন, তাঁরা ওই অনুষ্ঠানে উপাচার্যের কথাটি ঠিক করে শুনতে পাননি।

    একটি টিভি চ্যানেলকে উপাচার্য বলেন, কিছু বিদেশি শক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবেই নতুন প্রজন্মকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। ছাত্রদের মাদকের নেশায় আসক্ত করে তাঁদের ধ্বংস করে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি যদি এই প্রবণতা না রোখেন, তা হলে উপাচার্য হযে লাভ কী, প্রশ্ন মোহনের। বন্দেমাতরম-এর বিরোধিতা যাঁরা করছেন, তাঁরা নিজের মা-কে চেনেন না, মোহনের এই মন্তব্য ঘিরেও বিতর্ক হয়েছে। তাঁর দাবি, কথাটির ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। তিনি পৃথিবীকে সম্মান করার কথা বলতে চেয়েছিলেন। তাঁকে ‘সঙ্ঘি’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা যারা করছে, তাদের অন্য উদ্দেশ্য আছে বলে উপাচার্যের অভিযোগ।

    আরএসএসের সঙ্গে তাঁর যোগ সম্পর্কে মোহনের বক্তব্য, দেশ যাঁরা চালাচ্ছেন তাঁরা সঙ্ঘের আদর্শে বিশ্বাস করে। আলাদা করে মোহনের সাহায্যের তাঁদের কোনও প্রয়োজন নেই। এক জন উপাচার্যের যা করা উচিত, তিনি তাই করছেন, বলেন মোহন।

  • Link to this news (এই সময়)