• জনগণনায় পিছিয়ে নবাবের জেলা, মুর্শিদাবাদে ১৩ হাজারের মধ্যে কাজ শেষ মাত্র একুশটি ইউনিটে!
    প্রতিদিন | ২৩ আগস্ট ২০২৬
  • রাজ্যজুড়ে জনগনণার কাজ চলছে জোরকদমে। তবে পিছিয়ে পড়েছে নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদ। বাড়ি তালিকাভুক্তির কাজে জেলার হাল খুবই খারাপ! বাইশ আগস্টের রিপোর্ট বলছে, জেলায় মোট তেরো হাজার দুইশো আশিটি ব্লক আছে। তার মধ্যে তিন হাজার আটশো সত্তরটি ব্লকের কাজ এখনও শুরুই হয়নি! কাজ চলছে নয় হাজার তিনশো ঊননব্বইটিতে। কাজ শেষ হয়েছে মাত্র একুশটি ব্লকের। গড় হিসাব করলে শূন্য দশমিক এক ছয় শতাংশ কাজ হয়েছে।

    জেলার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে জঙ্গিপুর পুরসভা। সেখানে একশো পঁয়ষট্টিটি ব্লকের মধ্যে একশো ষাটটির কাজ চলছে। দু’টির কাজ শেষ হয়েছে। হার এক দশমিক দুই এক শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে ফরাক্কা। পাঁচশো বাষট্টিটি ব্লকের মধ্যে চারশো পঁয়তাল্লিশটির কাজ চলছে, পাঁচটির কাজ শেষ হয়েছে, একশো বারোটির কাজ শুরু হয়নি। হার শূন্য দশমিক আট নয় শতাংশ। তৃতীয় স্থানে সাগরদিঘি। ছয়শোটি ব্লকের মধ্যে পাঁচটির কাজ শেষ হয়েছে। হার শূন্য দশমিক আট তিন শতাংশ।

    জেলার পনেরোটির বেশি জায়গায় একটিও ব্লকের কাজ শেষ হয়নি। ডোমকল পুরসভায় দুইশো তিরিশটির মধ্যে দুইশো তিরিশটিরই কাজ চলছে, শেষ হয়নি একটিও। রানিনগর দুই, রানিনগর এক, নবগ্রাম, ভগবানগোলা এক, মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ, বহরমপুর, বহরমপুর পুরসভা, জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা, ভরতপুর দুই কোথাও একটিও শেষ হয়নি। কাজ শুরু না হওয়ার নিরিখে সবচেয়ে খারাপ বেলডাঙা এক ব্লক। সেখানে দুইশো সত্তরটি ব্লকের কাজ শুরু হয়নি। তার পরেই জলঙ্গিতে দুইশো ছেষট্টিটি, সুতি দুইয়ে দুইশো একান্নটি এবং সাগরদিঘিতে দুইশো চুয়াল্লিশটি ব্লকের কাজ শুরু হয়নি। সামশেরগঞ্জে পাঁচশো ছাপ্পান্নটির মধ্যে তিনশো তেইশটি শুরুই হয়নি, শেষ হয়েছে মাত্র একটি। সুতি একে দুটি, সুতি দুইয়ে একটি, লালগোলায় একটি ব্লকের কাজ শেষ হয়েছে।

    এই অবস্থায় প্রশাসন কড়া নির্দেশ দিয়েছে জনগণনাকারীদের। গণনাকারীদের প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশ দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে। কাজে গাফিলতি হলে ব্যবস্থা নেওয়াও হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসন আশাবাদী। দ্রুত এই ছবিটা বদলে যাবে বলে মত আধিকারীকদের। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)