• জেন জ়ি মন বুঝতে এবং মোদীর ভাবমূর্তি ফেরাতে দেশ জুড়ে প্রচারে বিজেপি, ঘোষণা হলো টিম
    এই সময় | ২৩ আগস্ট ২০২৬
  • দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র বিক্ষোভ এবং জেন জ়ি আন্দোলনে কার্যত অস্বস্তিতে পড়েছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর সরকার এবং শাসকদল বিজেপি। অনেকের দাবি, তাতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাবমূর্তিতে দাগ লেগেছে। এই পরিস্থিতিতে জেন জ়ি মন বুঝতে এবং মোদীর ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে প্রচার অভিযানের সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি।

    চলতি বছরের শুরুতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হন নীতিন নবীন। কয়েক দিন আগে তাঁর টিমও ঘোষণা হয়। শনিবার সেই পদাধিকারীদের নিয়েই বৈঠকে বসেন নীতিন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, তরুণদের মন বুঝতে জনসংযোগ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তার জন্য একটি টিমও তৈরি করা হয়েছে। সেই টিমে থাকবেন দলের দুই সাধারণ সম্পাদক স্মৃতি ইরানি ও বিনোদ তাওড়ে এবং গুজরাটের মন্ত্রী হর্ষ সাংভি, ছত্তিসগড়ের মন্ত্রী ওপি চৌধুরী।

    নবনিযুক্ত পদাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীও। মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের সাংগঠনিক বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো দলকে শক্তিশালী করা। জনসংযোগের নতুন নতুন কৌশল খোঁজার বার্তা দিয়েছেন মোদী।

    রাজ্য হোক বা দেশ, মোদীর প্রশাসনের শীর্ষ আসনে বসার পঁচিশ বছর পূর্তিতে আগামী এক মাস (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) সেবা সঙ্কল্প অভিযানেরও ডাক দিয়েছেন নীতিন। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, প্রশাসক হিসেবে মোদীর সফলতা তুলে ধরা হবে দেশবাসীর সামনে।

    বিরোধীদের একাংশের মতে, কেবল জেন জ়ি নয়, যন্তর মন্তর আন্দোলন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভোটারদের বড় অংশের ভরসা হারিয়েছে শাসক শিবির। স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় ‘দিমাগি নকশাল’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে মোদী বুঝিয়ে দিয়েছেন, আন্দোলন তাঁকে ঠিক কতটা বিচলিত করেছিল। ছাত্রদের উপর দিল্লি পুলিশের লাঠি চালানো, পেলেট গানের ব্যবহার নিয়ে জবাব এড়ানোয় প্রশ্ন উঠেছে শরিক দলের মধ্যেও। বিজেপির একাংশের মতে, ছাত্র-কৃষক আন্দোলন, আর্থিক হাল, বেকারত্ব, বিদেশনীতির ব্যর্থতা, সব মিলিয়ে মোদীর দক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে প্রচারে নেমেছে বিরোধীরা। তারই মোকাবিলা করতে এই কর্মসূচি।

  • Link to this news (এই সময়)