আটকে রেখে হেনস্থা করা হয়েছিল মেয়েকে। তার প্রতিবাদে অভিযুক্ত যুবককে চড় মেরেছিলেন মেয়েটির বাবা। তা নিয়ে রাগে ওই কিশোরীর গায়ে স্যানিটাইজ়ার ঢেলে তাকে আগুনের পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল ওই যুবকের বিরুদ্ধে।
পাঞ্জাবের মোহালির ঘটনা। অভিযুক্ত বছর কুড়ির যুবক দীপককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় বছর ষোলোর ওই কিশোরীকে প্রথমে মোহালিরা একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে তাকে চণ্ডীগড়ের ‘পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ’-এ নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। সংগ্রহ করা হয়েছে কিশোরীর বয়ানও।
কিশোরীর বয়ান থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, শুক্রবার সকালে সে মোহালিতে ঠাকুমার বাড়ি যাচ্ছিল। সেই সময়ে দীপক তাকে জোড় করে নিজের বাড়িতে টেনে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে ১০-১৫ মিনিট কথা হয়। পরে তার বাবা ও ঠাকুমা তাকে খুঁজতে সেখানে পৌঁছন। দীপকের সঙ্গে মেয়েটির বাবার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দীপককে চড়ও মারেন মেয়েটির বাবার। এই ঘটনার কিছু ক্ষণ পরেই পরিবারের লোকেদের এনে মেয়েটির বাড়িতে চড়াও হন দীপক। অভিযোগ, দুই পরিবারের মধ্যে বচসা-হাতাহাতির মধ্যেই দীপক হাতে একটি বোতল নিয়ে কিশোরীকে তাড়া করে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন। তার পরে ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে কিশোরীর গায়ে স্যানিটাইজ়ার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে কিশোরীর বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন।