জাতীয় সড়কে কন্টেনার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হলো ২ জনের। আহত হন ৩ জন। শনিবার রাতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে রাজবাঁধ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিধান বাউড়ি (৩২) ও কাশীনাথ ভট্টাচার্য (৪৮) নামে দুই কর্মীর। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত ও আহতরা প্রত্যেকে জাতীয় সড়ক মেরামতের কাজে নিযুক্ত ঠিকাকর্মী।
রবিবার সকালে দুই মৃতের সহকর্মী ও পরিবারের লোকেরা মহকুমা হাসপাতালে গিয়ে দেহ নিতে অস্বীকার করেন। তাঁদের দাবি, মৃত দুই কর্মীর পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরি দিতে হবে। বিধানের এক আত্মীয় বলেন, ‘আমরা ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের এক জনের চাকরি চাই। নইলে বডি নেব না হাসপাতাল থেকে।’
যদিও ঠিকাদার এত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছেন। ঠিকাদার সংস্থা ১ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে বলে জানান তিনি। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে সহকর্মী ও পরিবারের লোকেরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। তাঁদের বক্তব্য, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত দেহ মর্গে থাকবে।
মৃতদের মধ্যে কাশিনাথের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানা এলাকায়। বিধানের বাড়ি কাঁকসা ব্লকের গোপালপুরে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত দেহ মহকুমা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে (News in Bengali)।