প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কর্মরত এক তরুণী অফিসারের দেহ উদ্ধার হলো দিল্লির দ্বারকার বাড়ি থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর, নাজ়িয়া খানম নামে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাঁর বাবা তাওয়াব খানের অভিযোগ, নাজ়িয়ার স্বামী আজ়ম আলি খান, শাশুড়ি সামিন নিশা এবং শ্বশুর বাবর আলি খান নাজ়িয়াকে হেনস্থা করতেন। তার জেরেই এই ঘটনা।
দিল্লির দীন দয়াল উপাধ্যায় হাসপাতালে নাজ়িয়ার দেহ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণ, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পরিবারের বয়ানের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন বছর তিরিশের নাজ়িয়া। গত ২১ অগস্ট ভোর ৪টে নাগাদ নাজ়িয়ার পরিবারকে জানানো হয়, মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। যদিও নাজ়িয়ার বাবার দাবি, এটা আত্মহত্যা নয়। মেয়েকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছেন তাঁরা।
চলতি বছরের ১১ এপ্রিল আজ়মের সঙ্গে নাজ়িয়ার বিেয় হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাদের সময়ে আজ়ম দাবি করেছেন, ঘটনার আগে তাঁদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এর পরে নাজ়িয়া নিজেকে একটি ঘরে নিজেকে বন্দি করে ফেলেন। পরে সেই ঘর থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।