• পালাবদলের পর ৩ মাস বেতন নেই দুশ্চিন্তায় ৪৭৪ ইয়ুথ ভলান্টিয়ার
    বর্তমান | ২৩ আগস্ট ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পালাবদলের পর থেকে মিলছে না বেতন। তিন মাস কোনো টাকা ছাড়াই কাজ করছেন রাজ্যের ৪৭৪ জন ইয়ুথ ভলান্টিয়ার এবং কোঅর্ডিনেটর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে তাঁরা চাকরি খোয়ানোর আশঙ্কায় ভুগছেন। সমস্যার কথা তুলে ধরতে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’-এও গিয়েছিল যুবকল্যাণ ও ক্রীড়াদপ্তরে কর্মরত এই অস্থায়ী কর্মীদের বড়ো অংশ। বিষয়টি দপ্তরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খানেরও অজানা নয়। তবে এখনও কোনো সুরাহা না হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে অন্ধকারে যোগা দিবস, সেনসাস থেকে শুরু করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও অনুষ্ঠানে কাজ করা এই ইয়ুথ ভলান্টিয়াররা। তাঁদের দাবি, ‘জনতার দরবার’-এ গিয়ে নথিসহ সমস্ত তথ্য তুলে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৫ সালে ক্যাবিনেটে ছাড়পত্রের ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগ হয়েছিল। নির্দেশিকা জারি করেছিল অর্থদপ্তর। সমস্ত নিয়ম মেনেই তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছিল বলে তাঁদের দাবি। ফলে এখন তাঁদের চাকরিতে কোপ পড়লে সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত হবে বলেই দাবি তাঁদের। ‘জনতার দরবারে’ জমা দেওয়া চিঠিতে তাঁরা কীভাবে বিগত ১১ বছরে বঞ্চিত হয়েছেৱ সে কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েও কোনো কথা রাখা হয়নি। প্রতি মাসে এই ভলান্টিয়াররা ১২,৭৩০ টাকা এবং কো-অর্ডিনেটররা ১৮,০৩৫ টাকা হাতে পান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভলান্টিয়ার বলেন, ‘একেই অল্প মাইনে। তাও যদি তিন মাস না পাই, তাহলে সংসার চালাব কী করে?’ ভলান্টিয়ারদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক। আর কো-অর্ডিনেটরদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েশন। থাকতে হবে কম্পিউটার সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাও। এই অবস্থায় তাঁদের চাকরির কী হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে ইয়ুথ ভলান্টিয়ারদের। 
  • Link to this news (বর্তমান)