সল্টলেকে কিডনি পাচার চক্রে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের ভূমিকায় প্রশ্ন
বর্তমান | ২৩ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: হাসপাতালে হাউস কিপিংয়ের কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পাঞ্জাবে। কিন্তু, কাজের বদলে সল্টলেকের এক যুবকের কিডনি বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় প্রভাস মণ্ডল নামে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এবার এই চক্রে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের সন্দেহজনক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিবারের দাবি, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বারণ করেছিলেন। এমনকী, প্রভাস তাঁকে কিছু টাকাও দিতে বলেছিলেন। তাই এই চক্রে তিনিও যুক্ত থাকতে পারেন বলে অনুমান পরিবারের। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
প্রভাস মণ্ডল সল্টলেকের এক যুবক মঙ্গল মণ্ডলকে পাঞ্জাবে নিয়ে গিয়েছিলেন মাসখানেক আগে। চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মেডিক্যাল পরীক্ষার নামে তাঁকে একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে তাঁকে অচেতন করা হয়। সংজ্ঞা ফেরার পর তিনি দেখেন, তাঁর সারা শরীরে নল। পেটের পাশে সেলাই। তারপরই জানতে পারেন, তাঁর একটি কিডনি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। তিনি সল্টলেকে ফিরে আসেন গত মঙ্গলবার। এরপরই মঙ্গলের বাবা বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওইদিনই প্রভাস গ্রেপ্তার হয়। প্রভাসেরও একটি কিডনি নেই। এক সময় তিনিও এই চক্রের শিকার হয়েছিলেন বলে অনুমান।
এক্ষেত্রে কেন সিভিক ভলান্টিয়ারকে সন্দেহ করা হচ্ছে? পরিবারের অভিযোগ, ওই সিভিককে কাটমানি দিতে হয়েছিল! দ্বিতীয়ত, তিনি বলেছিলেন, থানায় অভিযোগ করার দরকার নেই। তিনিই কিডনি ফেরানোর ব্যবস্থা করে দেবেন। সারা জীবন যাতে বসে খেতে পারে, তার জন্য কিছু টাকারও ব্যবস্থা করে দেবেন। এখানেই সন্দেহ। যদিও ওই সিভিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবুও পুলিশ তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে।