• সরকারি স্কুলে অনুপ্রবেশ, মিথ্যে প্রচার! ‘ককরোচ’ অভিজিৎদের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর
    প্রতিদিন | ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • দেশজুড়ে সরকারি স্কুলের হাল ফেরাতে পথে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি। নানা রাজ্যের সরকারি স্কুল পরিদর্শনে যাচ্ছেন অভিজিৎ দীপকে-আশুতোষ রাঙ্কারা। সেই ‘অপরাধে’ এবার এফআইআর দায়ের হল ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের বিরুদ্ধে। মহারাষ্ট্রের আউসা থানায় দায়ের হয়েছে এফআইআর। অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই স্কুল চত্বরে ঢুকে পড়েছেন ককরোচ নেতৃত্ব।

    অভিযোগ দায়ের করেছেন সায়েদ শামসাদবানো খৈরাতালি নামে এক শিক্ষক। লাতুর জেলার আউসায় অবস্থিত জে পি উর্দু স্কুলে কর্মরত তিনি। এফআইআরে সায়েদ জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষের থেকে অনুমতি না নিয়েই অভিজিৎ এবং অন্যান্য সিজেপি নেতারা ঢুকে পড়েছেন স্কুল চত্বরে। এখানেই না থেমে স্কুলের পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। সায়েদের অভিযোগ, এহেন আচরণ আসলে সরকারি কর্মচারীদের কাজে এবং শিক্ষা কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। অনুপ্রবেশ, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ধারা রয়েছে সেখানে।

    উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এই স্কুলে গিয়েছিলেন অভিজিৎ। পড়ুয়াদের সঙ্গে সাক্ষাতের ভিডিও শেয়ার করেন সোশাল মিডিয়ায়। দাবি করেন, ওই শিশুদের ভাড়া করে এনে পড়ুয়া সাজানো হয়েছে। এমনকী স্কুলের শিক্ষকদের সাসপেন্ড করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায় নেটদুনিয়ায়। তারপরই অভিজিৎ-সহ অন্যান্য নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর। তবে এখনও ‘ককরোচ’দের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার জয়পুরের রামপুরা-কানওয়ার গ্রামে স্কুল পরিদর্শন করতে গিয়েও আক্রান্ত হন সিজেপ নেতারা। ককরোচ জনতা পার্টির কো কনভেনর আশুতোষ রাঙ্কারও যাওয়ার কথা ছিল স্কুল পরিদর্শনে। কিন্তু সিজেপি কর্মীদের দেখেই রেগে ওঠেন স্থানীয়রা। এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন ‘ককরোচ’দের। ক্রমে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত সিজেপি কর্মীদের ওই গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের গাড়ির কাঁচও ভাঙা হয়। সিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগও উঠেছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)