• বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে দেশীয় প্রজাতির গরুর জন্ম! ঐতিহাসিক কাণ্ড অসমে
    প্রতিদিন | ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • অসমে ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম হল দেশি ‘লখিমী’ জাতের গরুর। এমন ঘটনা কেবল ভারতে নয়, বিশ্বে প্রথমবার ঘটল বলেই দাবি। অসম ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফিশারি ইউনিভার্সিটিতে মাদি বাছুরটির জন্ম হয়েছে। এই ঘটনা দেশীয় গবাদি পশুর ‘সহায়তাপ্রাপ্ত প্রজনন প্রযুক্তি’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করল। এক্স হ্যান্ডেলে এই সুসংবাদ জানিয়েছেন খোদ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

    সোশাল মিডিয়ায় এক পোস্টে হিমন্ত মন্তব্য করেছেন, এই সাফল্যের মধ্যে ‘সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সৃজনে’র এক অনন্য সমন্বয় ঘটেছে। তিনি লিখেছেন, “অসমের স্থানীয় জাত ‘লাখিমী’-র বিশ্বের প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া একটি স্ত্রী বাছুর আসাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফিশারি ইউনিভার্সিটিতে জন্মগ্রহণ করেছে। এই যুগান্তকারী সাফল্য আমাদের গবাদি পশু ও দুগ্ধ ক্ষেত্রের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশীয় জাতের গবাদি পশু সংরক্ষণ, রোগ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি পশুপালকদের আয় বৃদ্ধি।”

    ‘লাখিমী’ অসমের স্থানীয় গবাদি পশুর একটি জাত। এটি দেশীয় গবাদি পশু সম্পদের একটি অংশ। উল্লেখ্য, লাভদায়ক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং দেশীয় গবাদি পশুর জাত সংরক্ষণে প্রাণী বিজ্ঞানীরা ক্রমশ আইভিএফ-এর মতো প্রজনন প্রযুক্তিকে কাজে লাগাচ্ছেন। ঐতিহাসিক সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানী ও পেশাদারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “এই সাফল্যের নেপথ্যে থাকা সমস্ত পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানী ও পেশাদারদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁদের কাজ অসমের দুগ্ধশিল্পে নতুন যুগের সূচনা করার সম্ভাবনা তৈরি হল। বাছুরটি আকারে ছোট হলেও, আমাদের রাজ্যে জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে সে একটি বিশাল মাইলফলক বহন করছে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)