বাবলু সাঁতরা, চন্দ্রকোণা
চায়ের কাপে তুফান ওঠে। কিন্তু, এখন তুফান তো দূরের কথা, কাপে চুমুক দিলেই ছেঁকা খেতে হচ্ছে। কারণ, চিনির মূল্যবৃদ্ধি। আর তারই সূত্র ধরে বেড়েছে চায়ের দামও। ক’দিন আগেও এক কাপ চায়ের দাম ছিল পাঁচ টাকা। এ বার বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাত টাকায়। দোকানে দোকানে সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন রেট চার্টও। চন্দ্রকোণা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরবাড়ি বাজার এলাকায় চা ব্যবসায়ী ইউনিয়নের নামে প্রতিটি চায়ের দোকানেই এখন শোভা পাচ্ছে সেই মূল্যবৃদ্ধির নোটিস।
ঠাকুরবাড়ি বাজারে ২০টিরও বেশি চায়ের দোকান রয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৯ অগস্ট থেকে দাম বাড়ানো হয়েছে। চা ব্যবসায়ী ইউনিয়নের কোনও পদাধিকারী নেই। সকলে আলোচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের কথায়, ‘৪৫ টাকা থেকে চিনির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা প্রতি কেজি। সেই সঙ্গে বেড়েছে গ্যাস, কাগজের কাপের দামও। সেই কারণেই চায়ের দাম বাড়ানো হয়েছে।’
ইউনিয়নের সদস্য, চা বিক্রেতা রণজিৎ সাহার কথায়, ‘চায়ের দাম না বাড়ালে দোকান চালানো সম্ভব হচ্ছিল না।’ চায়ের দাম বৃদ্ধি নিয়ে চা-প্রেমী বিশ্বনাথ মাইতি বলছেন, ‘চিনি-সহ বাজারে আরও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। চিনির দাম তো এখন আকাশছোঁয়া। চিনি ছাড়া চা সম্ভব নয়। ওঁদেরও তো ব্যবসা করতে হবে। আমরা যারা নিয়মিত চায়ের দোকানে দু’বেলা বসি তারা এই মূল্যবৃদ্ধি মেনে নিয়েছি।’