বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায় বিজেপি কর্মীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। মৃতের নাম বাপি প্রামাণিক (৪৫)। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে খুন করা হয়। যদিও, পুলিশের দাবি, পুজো কমিটি গঠন নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। জখম হন বাপি। পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।
পরিবারের দাবি, বাপি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এমনকী, বিজেপি করার জন্য তাঁকে প্রায় এক দশক ঘরছাড়া থাকতে হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। পরিবারের আরও অভিযোগ, বিজেপির স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে হামলা হয় বাপির উপরে। এ ছাড়া, ওই ঘটনায় তৃণমূলের মদত ছিল বলে অভিযোগ।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি হয়। যার জেরেই বাপি-সহ বেশ কয়েকজন মারাত্মক ভাবে জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বাপির। এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়, সেই কারণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বাপির পরিবারের লিখিত অভিযোগ ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস বলেন, ‘বারুইপুর থানার টাঙ্গেরবেড়িয়া এলাকায় পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়। সেই সময়ে বাপি প্রামাণিক গুরুতর জখম হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
১. প্রশ্ন: মৃত ব্যক্তির নাম কী?
উত্তর: মৃতের নাম বাপি প্রামাণিক। তাঁর বয়স ৪৫ বছর।
২. প্রশ্ন: কোথায় ঘটনাটি ঘটেছে?
উত্তর: বারুইপুর থানার উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
৩. প্রশ্ন: বাপি প্রামাণিকের কী ভাবে মৃত্যু হয়?
উত্তর: পুলিশের দাবি, পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
৪. প্রশ্ন: পরিবারের কী অভিযোগ?
উত্তর: পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পনা করে ফোন করে বাপিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।
৫. প্রশ্ন: ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি?
উত্তর: পরিবারের দাবি, বাপি দীর্ঘদিনের সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন এবং হামলার পিছনে স্থানীয় বিজেপি নেতার নেতৃত্ব ছিল। তৃণমূলের মদতের অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।