• বিপজ্জনক পথকুকুরদের ইউথেনেশিয়া! ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে নয়া পদক্ষেপ কেরল সরকারের
    প্রতিদিন | ২৫ আগস্ট ২০২৬
  • পথকুকুরদের মধ্যে পাগল, রেবিস আক্রান্ত কিংবা মানুষের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠা পথকুকুরদের মার্সি কিলিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করছে কেরল সরকার। গত মে মাসেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা পথকুকুরদের ইউথেনেশিয়ার অনুমতি দিয়েছিল। এবার সেই রায় অনুযায়ী পদক্ষেপ করল কেরল সরকার।

    জানা গিয়েছে, এই সংক্রান্ত নয়া এসওপি তথা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা খসড়া নীতি প্রস্তুত করেছে কেরলের প্রাণীসম্পদ বিকাশ বিভাগ। সেই খসড়া অনুযায়ী, এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত কোনও পুরসভা নিতে পারবে না। এই সিদ্ধান্তের জন্য আলাদা ম্যানেজমেন্ট কমিটি তৈরি করা হবে। সেই কমিটিতে যেমন থাকবেন স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, তেমনই থাকবেন পশু চিকিৎসকও। পাশাপাশি পশুকল্যাণের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিও থাকবেন সেখানে। এই কমিটিই সবটা খতিয়ে দেখবে। তারপর নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। এমনকী, কোনও পথকুকুরকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দিষ্ট শর্তাবলিও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

    কোনও পথকুকুর বিনা উসকানিতে কোনও মানুষ বা দু’টির বেশি গবাদি পশুকে আক্রমণ করলে সেক্ষেত্রেই কেবল তাকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ স্রেফ মৌখিক অভিযোগ করলেই তা ফলপ্রসূ হবে তা নয়। কমিটি সবটাই খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে।
    কীভাবে ওই কুকুরদের ‘নিষ্কৃতি-মৃত্যু’ দেওয়া হবে? সোডিয়াম পেন্টোবারবিটাল ও থায়োপেন্টাল সোডিয়াম শিরায় প্রয়োগ করে হত্যা করা হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণা যেন না পায় তাও খেয়াল রাখতে হবে।

    গত মে মাসে এই বিষয়ে যে রায় দিয়েছিল তাতে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছিল কোনওভাবেই নির্বিচারে কুকুর হত্যা করা যাবে না। চিকিৎসাগত ভাবে রেবিস হওয়া কুকুর কিংবা নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত হলেও তবে তাকে হত্যা করা যাবে। অন্যথায় এমনটা করা যাবে না। এবার সেই নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ করল কেরল সরকার।
  • Link to this news (প্রতিদিন)