• কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না, মহুয়ার গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের
    প্রতিদিন | ২৫ আগস্ট ২০২৬
  • কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর বিরুদ্ধে নিম্ন আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। সোমবার হাই কোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাংসদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না। ৩১ আগস্ট বা পরবর্তী নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদের দিল হাই কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ আগস্ট।

    হিংসায় উসকানি, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, তুলসী মালা-সহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ে মহুয়ার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মামলা দায়ের করেন ঘূর্ণির কয়েকজন মহিলা। সেই মামলাটি ওঠে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে। কয়েকবার শুনানির পর মহুয়াকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। কিন্তু মহুয়া এ দিন আদালতে হাজিরা দেননি। আইনজীবী মারফত সাংসদ জানান, তিনি আসতে পারবেন না। এরপরই নিম্ন আদালত মহুয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতের তৃতীয় কোর্টের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দিব্যেন্দু দাস।

    গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। সোমবার মামলাটির শুনানি ছিল। এদিন এজলাসে বিচারপতি দেবাংশু বসাক মহুয়ার আইনজীবীর কাছে জানতে চান, অপরাধ প্রি কগ্নিজেন্স স্টেজ অর্থাৎ অপরাধ বিবেচিত হওয়ার আগেই কেন আদালতে যাননি? এই প্রশ্নের উত্তরে মহুয়ার আইনজীবী জানান, কৃষ্ণনগর জেলা আদালতের তৃতীয় কোর্টের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এই এক্তিয়ার নেই। মহুয়া মৈত্র একজন সাংসদ। তাই এই বিচার প্রক্রিয়া শুধমাত্র এমপি এমএলএ আদালত করতে পারে। এই উত্তর শুনে বিচারপতি বলেন, এটি জামিনযোগ্য অপরাধ। সাংসদের আদালতে যাওয়া উচিত ছিল।

    যদিও মহুয়া জানান, তিনি গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে আগে কোনও এফআইআর বা পুলিশ কেস হয়নি। তিনি এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ করার পর এফআইআর দায়ের হয়। সেই কারণে নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। আপাতত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘটনায় হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন মহুয়া।
  • Link to this news (প্রতিদিন)