নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার তৃণমূল শিবিরে দুই ঘটনা। আমডাঙার বিধায়ক কাশেম সিদ্দিকির বক্তব্য, আমি ঋতব্রত তৃণমূলে গিয়েছিলাম। আমার সইয়ের অপব্যবহার করা হয়েছে। পরে বিষয়টি বুঝতে পারি। আমি দিদির সঙ্গেই আছি। কুণাল দাবি করেন, গোপন ব্যালটে তৃণমূলের সমস্ত বিধায়কের ভোট নেওয়া হোক। তাতেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, বিরোধী দলনেতার জন্য ঋতব্রতর পক্ষে ভোট পড়ছে কি না। অন্যদিকে, আইএসএফ ছাড়ার পর এদিন বিধানসভায় এসে ঋতব্রত তৃণমূলে শামিল হন প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। আরাবুল বলেন, কালীঘাট তৃণমূল আমার জন্য কিছু করেনি। ঋতব্রতর বক্তব্য, আরাবুলসহ অন্যরা আমার সঙ্গে দেখা করেন। এলাকায় শান্তি বজায় রাখার জন্য আমরা সবরকম চেষ্টা করব।
এদিকে সোমবার ভাঙড়-২ বিডিও অফিস থেকে বেরোনোর সময় আরাবুলের গাড়ি লক্ষ করে ইট মারার অভিযোগ উঠেছে। দেওয়া হয়েছে ‘চোর’ স্লোগান। আরাবুলের অভিযোগ, আইএসএফ আমার গাড়িতে হামলা করল, পুলিশ নীরব। অন্যদিকে, রবিবার ঋতব্রত অভিযোগ করেন, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই নিহত রঞ্জিত দাসের ছেলে রজতকে চাকরি দেয়নি তৃণমূল সরকার। যদিও মমতা শিবির থেকে পালটা বলা হয়, রঞ্জিতের স্ত্রী ও বড়ো ছেলেকে চাকরি দেওয়া হয়েছে।