ঝাড়খণ্ডের পর বিহার। এবার সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পথে চাকরিপ্রার্থীরা। রাজ্যের ৭০তম পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা (বিপিএসসি) বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষার দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পদক্ষেপ করে পুলিশ।
এদিন সকালে পাটনার গান্ধী ময়দানে জমায়েত হন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। সেখান থেকে বিশাল মিছিল শুরু করেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। স্লোগান দিতে দিতে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর বাসভবনের দিকে এগোলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। ব্যারিকেড লাগিয়ে মিছিলকে আটকানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে যায়। এরপরই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে। মুহূর্তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পাটনা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পাশাপাশি, ব্যবহার করা হয় জলকামানও। আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে।
তবে এই বিক্ষোভ কেবল ৭০তম বিপিএসসি পরীক্ষা বাতিলের দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষক নিয়োগের টিআরই ৪-সহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের একাধিক দাবি রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং পরীক্ষাগুলি নিয়ম মেনে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে। গত কয়েক দিন ধরেই পাটনায় এই নিয়ে বিক্ষোভ চলছিল। সোমবার পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। মঙ্গলবার বিক্ষোভরত এক ছাত্রনেতা বলেন, “আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। কারণ, সরকার বারবারই আলোচনার টেবিলে কনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাঠায়। কিন্তু তারপর বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। যদি মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন এবং আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, তাহলে আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত।”