• দেশের ইতিহাসে প্রথম! এবছর জনগণনায় থাকছেনা ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদের জায়গা, নয়া পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের
    বর্তমান | ২৫ আগস্ট ২০২৬
  • নয়াদিল্লি, ২৫ আগস্ট: বিগত জনগণনায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উঠে আসত ভবঘুরে ও ভিক্ষুকদেরও পরিসংখ্যান।কিন্তু আসন্ন জনগণনায় এই বিষয়ে বড় ধরনের বদল আনতে চলেছে কেন্দ্র। এবার থেকে 'ভিক্ষুক ও ভবঘুরে' নামে আলাদা কোনও শ্রেণি রাখা হচ্ছে না জনগণনার প্রশ্নপত্রে। ফলে জনগণনার রিপোর্টে পৃথকভাবে এই শ্রেণির মানুষদের সংখ্যা কিংবা রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যান আর প্রকাশ করা হবে না। এবার থেকে  তাদের 'অন্যান্য' শ্রেণির মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। 

    পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৯১ সালে জনগণনায় ভিক্ষুক ও ভবঘুরের সংখ্যা ছিল ৫.৪ লক্ষ। ২০০১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬.৩ লক্ষে। আবার ২০১১ সালে সেই সংখ্যা আকস্মিক ভাবে কমে আসে। সে সময় ৩.৮ লক্ষ মানুষ যাঁদের নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই বা যাঁরা কিছুই করেন না তাঁরা নিজেদের ভিক্ষুক ও ভবঘুরে হিসেবে নিজেদের নথি জমা দিয়েছিলেন। কাজেই প্রত্যেক জনগণনার বছরে এই শ্রেণির মানুষদের হিসেবের গড়মিল দেখা গিয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের মতে, সামাজিক লজ্জা ও নেতিবাচক ধারণার কারণে অনেকেই নিজেদের ভিক্ষুক বা ভবঘুরে হিসেবে পরিচয় দিতে চান না। ফলে প্রকৃত সংখ্যা জনগণনায় সঠিকভাবে উঠে আসছে কী না তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়। তাঁরা আরো জানান, জনগণনার নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি কোন পেশার সঙ্গে যুক্ত তা মূলত সেই ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই নথিভুক্ত করা হয়। সেই কারণে পরিচয় প্রকাশে কেউ অনীহা প্রকাশ করলে পরবর্তীতে পরিসংখ্যানে তা বড় প্রভাব ফেলে। 

    পাশাপাশি সেনসাস ২০২৭ এর জনগণনায় আরো কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার অভিবাসনের কারণ হিসেবে 'প্রাকৃতিক দুর্যোগ'-কে আলাদা করণ হিসাবে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও বাবা-মায়ের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও কিছু নতুন সংযোজন করা হচ্ছে। এবার বাবা ও মায়ের নামের পাশাপাশি তাঁদের জন্মতারিখ, জন্মস্থান এবং ধর্ম সম্পর্কিত তথ্য নেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। 

     
  • Link to this news (বর্তমান)