আর জি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই সময়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। জামিনের জন্য আবেদন করেছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এর পরেই নোটিস জারি করে সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। আগামী সপ্তাহেই এই আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
২০২৪ সালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে এক চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার পরেই গ্রেপ্তার হন সন্দীপ ঘোষ। ওই মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। অভয়ার মৃত্যুর পরেই প্রকাশ্যে আসে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি। অভিযোগ ওঠে ওই কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।
তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালের অন্দরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি চলছিল বলে অভিযোগ। চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার নামে টেন্ডারে কারচুপি, নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজনকে বরাত পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে সন্দীপের বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্তে নেমে সন্দীপ ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছিল CBI। ধর্ষণ ও খুনের মামলায় জামিন পেলেও দুর্নীতির মামলায় জামিন পাননি সন্দীপ ঘোষ।
জানা গিয়েছে, তাঁর এই আবেদনের ভিত্তিতেই নোটিস জারি করে সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ। আগামী সপ্তাহে ওই মামলার শুনানি হতে পারে।
প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় এলেই আরজি কর ঘটনার তদন্তে গতি আসবে বলে জানিয়েছিল বিজেপি। সরকার গঠন করার পরেই এই নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চলতি মাসেই অভয়ার বাড়ির এলাকায় গিয়ে ওই মামলা নতুন করে চালু করার নির্দেশ দেন তিনি। এর পরেই পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিজগ দায়ের করে অভয়ার পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় নির্মল ঘোষকে।