গভীর রাতে সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সিপিএমের অভিযোগ, আগুন লাগানোর ঘটনায় বিজেপির হাত রয়েছে। যদি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপির স্থানীয় নেতারা।
তারকেশ্বরের মুক্তারপুর এলাকার ঘটনা। সিপিএমের অভিযোগ, মঙ্গলবার গভীর রাতে ৪০ বছরের পুরোনো পার্টি অফিসে আগুন ধরানো হয়। পার্টি অফিসে থাকা আসবাসপত্র, টিভি-সহ অনেক জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। রাতেই তারকেশ্বর থানা ও দমকলে খবর দেওয়া হয়েছিল। দমকল গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আরও অভিযোগ, সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ের কাছেই এক তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় এক নেতার চারচাকা গাড়ি রাখা ছিল। সেটিও ভাঙচুর করা হয়।
সিপিএমের হুগলি জেলা কমিটির সদস্য মন্টু ভৌমিক বলেন, ‘গতকাল রাত ২টো নাগাদ কয়েকজন দুষ্কৃতী বিজেপির মদতে দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছে। টিভি, গ্যাসের সিলিন্ডার, দলীয় নথি লুটপাট করেছে। কাঠের আলমারিতে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ভোরের দিকে আমরা খবর পাই। তার পরে দমকল ও পুলিশে খবর দেওয়া হয়। দমকল ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিভেছে। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পরেই আমরা এই পার্টি অফিস করেছি। এই অফিসে বসেই দলীয় কাজকর্ম করা হয়।’
যদিও বিজেপির স্থানীয় চার নম্বর মণ্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি রিন্টু কবি দাবি করেছেন, ‘সিপিএমের পার্টি অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় বিজেপির কেউ জড়িত নয়। তৃণমূল নেতার গাড়ি তৃণমূল কর্মীরাই ভাঙচুর করেছেন।’