আবর্জনার মধ্যে পড়ে গোছা গোছা আসল আধার কার্ড। এই ঘটনায় বুধবার আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কাউন্সিলর অরূপা রায়কে। আধার কার্ড ভর্তি ওই ব্যাগটি উদ্ধার করে কাউন্সিলের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কাউন্সিলর জানিয়েছেন, সব আধার কার্ড গুলোই আসল। এই ঘটনার তদন্তের জন্য এলাকায় এসেছে সিআইডি ও পুলিশ। কীভাবে আবর্জনার স্তূপে এত আধার কার্ড এল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিন সকালে ভ্যানে করে বাড়ি বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করছিলেন এক নির্মল বন্ধু কর্মী। সেই সময় পুলিশ ফাঁড়ির কাছে আবর্জনার মধ্যে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরূপা রায়ের কাছে আধার কার্ড ভর্তি ব্যাগটি জমা দেন। কাউন্সিলর ব্যাগ খুলে দেখেন ব্যাগে ভর্তি আধার কার্ড। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন হয়তো আধার কার্ডগুলি ভুয়ো। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন, সবগুলিই আধার কার্ডই আসল। কাউন্সিলর জানান, এগুলি শামুকতলা থানার দক্ষিণ চেপানি এলাকার বাসিন্দাদের আধার কার্ড। কাউন্সিলর অরূপা রায় তড়িঘড়ি খবর দেন পুলিশে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সিআইডি ইনস্পেক্টররা পৌঁছেছেন।
কাউন্সিলর অরূপ রায় বলেন, “আধার কার্ডগুলি জল, কাদায় ভর্তি ছিল। পরিষ্কার করে দেখলাম সবগুলি দক্ষিণ চেপানি এলাকার বাসিন্দাদের আধার কার্ড। সেগুলি এই এলাকায় কীভাবে এল তা বুঝতে পারছি না। আধার কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। সেগুলি সংশ্লিষ্ট মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ফেসবুকে পোস্ট করেছি। সাধারণত পোস্ট অফিস থেকেই আধার কার্ডগুলি বিতরণ করা হয়।”