দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে চলেছে হাওড়াবাসী। বাকসাড়ায় রেলগেট বন্ধ থাকলেই যানজট। হাতে সময় নিয়ে বেরোলেও লেট অবশ্যম্ভাবী। সেই সমস্যার সমাধানে অবশেষে বাকসাড়া ও বেতড়ের মাঝে আন্ডারপাস তৈরির কাজ শুরু করতে চলেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। ২০২৭-এর জুনের মধ্যে আন্ডারপাস তৈরি হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাকসাড়া রেলগেট পেরিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। ওপাশে বেতড়। ট্রেন চলাচলের সময়ে দীর্ঘক্ষণ গেট বন্ধ থাকায় যানজট তৈরি হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় জরুরি পরিষেবার গাড়িগুলিকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময়ে অ্যাম্বুল্যান্স, দমকলের গাড়িকেও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। করোনার সময়ে রেলগেটে আটকে থাকার কারণে কয়েক জন রোগীর মৃত্যু হয়েছিল বলেও দাবি এলাকাবাসীর।
এই সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি ছিল, রেলগেটের পরিবর্তে এমন কোনও ব্যবস্থা করা হোক যাতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রেখেই যানবাহন যাতায়াত করতে পারে।
শেষ পর্যন্ত সেই দাবিতেই সাড়া দিয়েছে রেল। জানা গিয়েছে, বর্ষা শেষ হওয়ার পরে অক্টোবরের শুরু থেকে আন্ডারপাস তৈরির মূল কাজ শুরু হবে। বাকসাড়া ও বেতড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এই আন্ডারপাস তৈরি হবে। এর ফলে যানজট কমার পাশাপাশি অ্যাম্বুল্যান্স, দমকল-সহ জরুরি পরিষেবার গাড়িও দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে বলে আশাবাদী বাসিন্দারা।
ইতিমধ্যেই জানা গেটের কাছে দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে আন্ডারপাস তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মালপত্র পাঠানো শুরু করা হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে রেলের এই উদ্যোগে স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। স্থানীয়দের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে দ্রুত আন্ডারপাসটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
প্রশ্ন: কোথায় আন্ডারপাস তৈরি হচ্ছে?
উত্তর: হাওড়ার বাকসাড়া ও বেতড়ের মাঝামাঝি এলাকায় আন্ডারপাসটি তৈরি হবে।
প্রশ্ন: কেন আন্ডারপাস তৈরির প্রয়োজন হল?
উত্তর: ট্রেন চলাচলের সময় বাকসাড়ার রেলগেট দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকে। ফলে রেলগেটের দু’দিকে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।
প্রশ্ন: কারা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন?
উত্তর: সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি অ্যাম্বুল্যান্স, দমকলের মতো জরুরি পরিষেবার গাড়িগুলিও রেলগেটে আটকে পড়ে সমস্যায় পড়ে।
প্রশ্ন: কবে থেকে আন্ডারপাসের মূল কাজ শুরু হবে?
উত্তর: বর্ষা শেষ হওয়ার পরে অক্টোবরের শুরু থেকে আন্ডারপাস তৈরির মূল কাজ শুরু হওয়ার কথা।
প্রশ্ন: কবে আন্ডারপাসের কাজ শেষ হওয়ার কথা?
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আশা, ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাবে।
প্রশ্ন: আন্ডারপাস তৈরি হলে কী সুবিধা হবে?
উত্তর: রেলগেট বন্ধ থাকলেও যানবাহন চলাচল করতে পারবে। ফলে যানজট কমবে এবং অ্যাম্বুল্যান্স, দমকলের মতো জরুরি পরিষেবার গাড়ি দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।