• হড়পা বানে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ-বিহারও? নেপালের বিপর্যয়ের পরই মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন শাহর
    প্রতিদিন | ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। প্রকৃতির সেই রুদ্ররোষ কি থাবা বসাবে ভারতেও? আতঙ্ক বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিপর্যয় সামাল দিতে বিহারের প্রশাসন কতটা প্রস্তুত রয়েছে, সেই নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু’জনের মধ্যে। উল্লেখ্য, প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামিকাল নেপালে ত্রাণ পাঠাতে চলেছে ভারত।

    জানা গিয়েছে, এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত চিনের তিব্বতে। সেখান থেকে বন্যার জল প্রবেশ করে নেপালের রসুয়া জেলায়। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জেলার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ভোটেকোশী নদী। বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় ওই হড়পা বান নামে। ভয়ংকর বিপর্যয়ে ইতিমধ্যেই ১৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ইতিমধ্যেই বিহারে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। কারণ নেপাল থেকে বয়ে আসা গণ্ডক, কোশী-সহ একাধিক নদী বিহারে ঢোকে। গণ্ডক নদীর জলস্তর হুহু করে বেড়েছে।

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি ক্রমাগত নজর রাখছেন পরিস্থিতির দিকে। সতর্ক করা হয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরকেও। আমজনতাকে আতঙ্ক না ছড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। এহেন পরিস্থিতিতে বিহারের খবর নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ফোনে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্র সর্বতোভাবে সাহায্য করবে বিহারকে। একইসঙ্গে বিহার সরকারকেও প্রস্তুত থাকতে বলেছেন শাহ। ইতিমধ্যেই বিহারের নদীতে জল বাড়ছে। সরানো হচ্ছে আমজনতাকে। 

    নেপাল পর্যটন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ। তাঁদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। ইতিমধ্যেই নেপালের ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে নেপালে আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য। নেপালের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মোদিও। অন্যদিকে, বিহারের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশেও হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে।

    হেল্পলাইন নম্বর 

    +977-9851316807
    +977- 9709107533
  • Link to this news (প্রতিদিন)