ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে এক নাবালকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। মৃতের নাম জয়িষ্ণু মজুমদার (১১)। প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। বুধবার দুপুরে সেখানেই মৃত্যু হয় তার। বালকের ডেথ সার্টিফিকিটে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। দক্ষিণ দমদমের বেদিয়াপাড়ার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সোমবার প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয় জয়িষ্ণু। একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে আচমকা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। সঙ্গে প্লেটলেটের মাত্রাও কমে যায়। শেষ পর্যন্ত বুধবার দুপুরে মৃত্যু হয় তার।
পরিবার সূত্রের দাবি, চিকিৎসকের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গির পাশাপাশি ‘অ্যাকিউট অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়া’ এবং ‘শক’-এর উল্লেখ রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, প্রবল অসুস্থতার সময় শ্বাসনালীতে তরল বা খাবার ঢুকে গেলে অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়া হতে পারে। এর ফলে রোগীর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।
জয়িষ্ণুর মায়েরও ডেঙ্গি ধরা পড়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, জমা জল এবং মশার উপদ্রবের কারণে প্রতি বছরই বর্ষার শেষ দিকে কলকাতা ও শহরতলিতে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সোমবার স্বাস্থ্য ভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়।
মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে নভেম্বর পর্যন্ত সচেতনতামূলক প্রচার আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই বৈঠকে। তবে এর মধ্যেই দক্ষিণ দমদমে নাবালকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
প্রশ্ন: জয়িষ্ণু মজুমদারের বয়স কত ছিল?
উত্তর: জয়িষ্ণুর বয়স ছিল ১১ বছর।
প্রশ্ন: কোথায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে?
উত্তর: দক্ষিণ দমদমের বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দা জয়িষ্ণুর মৃত্যু একটি বেসরকারি হাসপাতালে হয়েছে।
প্রশ্ন: কী কারণে জয়িষ্ণুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল?
উত্তর: প্রবল জ্বর নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাঁর প্লেটলেটের মাত্রাও কমতে শুরু করে।
প্রশ্ন: ডেথ সার্টিফিকেটে কী উল্লেখ রয়েছে?
উত্তর: পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গির পাশাপাশি ‘অ্যাকিউট অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়া’ এবং ‘শক’-এর উল্লেখ রয়েছে।
প্রশ্ন: অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়া কী?
উত্তর: প্রবল অসুস্থতার সময়ে খাবার বা তরল শ্বাসনালীতে ঢুকে গেলে অ্যাস্পিরেশন নিউমোনিয়া হতে পারে। এতে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
প্রশ্ন: জয়িষ্ণুর পরিবারের আর কার ডেঙ্গি হয়েছে?
উত্তর: তাঁর মায়েরও ডেঙ্গি ধরা পড়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রশ্ন: ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে?
উত্তর: স্বাস্থ্য ভবনের বৈঠকে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গি ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।