প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েও বাসিন্দাদের জবকার্ড সহ নথিপত্র আটকে রাখার অভিযোগ
বর্তমান | ২৭ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েও বাসিন্দাদের জবকার্ড সহ অন্যান্য নথিপত্র আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে কৃষ্ণ দাস অনুগামী রাজেশ মণ্ডলের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের অরবিন্দ পঞ্চায়েতের প্রধান থাকাকালীন ওই তৃণমূল নেতা গোমস্তাপাড়া এলাকায় নবারুণ সংঘের ঘর দখল করে নিজের অফিস বানিয়েছিলেন। দিনের অধিকাংশ সময় সেখানে বসেই পঞ্চায়েতের কাজকর্ম করতেন তিনি। তিন-চারটি আলমারি সহ কম্পিউটার, প্রিন্টার সবই ছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজেশ মণ্ডলের অফিসে তালা পড়ে। অভিযোগ, রাজেশের নির্দেশে ওই তালা মারা হয়েছে। ক্লাবের বর্তমান পরিচালন কমিটির দাবি, তালা খুলে রাজেশকে তাঁর জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য বারবার বলা হলেও তিনি শুনছেন না।
এদিকে বাসিন্দাদের দাবি, জবকার্ড সহ তাঁদের বিভিন্ন নথিপত্র ক্লাবের ওই ঘরে আটকে রয়েছে। রাজেশ যখন প্রধান ছিলেন, তখন নানা প্রয়োজনে ওইসব নথি তাঁকে দিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরও ওইসব নথি ফেরাচ্ছেন না রাজেশ। জবকার্ড দেখাতে না পারলে আবাস যোজনায় আবেদন করা যাচ্ছে না। মিলছে না ১২৫ দিনের কাজ।
যদিও এনিয়ে রাজেশ মণ্ডলের দাবি, নবারুণ সংঘের সম্পাদক ছিলাম আমি। সেই সূত্রে ওই ক্লাবের একটি ঘরে আমার অফিস ছিল। সেখানে বসে পঞ্চায়েত সদস্য তথা প্রধান হিসাবে কাজকর্ম করতাম। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে ওই অফিসঘরে আমার যেসব জিনিসপত্র রয়েছে, সেগুলি বের করতে দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে বাসিন্দাদের কোনো নথি থাকতেই পারে। বিষয়টি প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে। আমাকে ওইসব জিনিসপত্র বের করতে দিলে আলমারিতে যদি কারও কোনো জবকার্ড কিংবা কোনো নথি থাকে, নিশ্চয়ই ফিরিয়ে দেব।
প্রাক্তন প্রধান এমনটা দাবি করলেও নবারুণ সংঘের বর্তমান সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষের বক্তব্য, ক্লাব থেকে তাঁর জিনিসপত্র বের করে নেওয়ার জন্য বারবার তাঁকে খবর পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু সাড়া দিচ্ছেন না। তিনি এসে জিনিসপত্র বের না করলে পাড়ার লোকজন রাজেশের সব জিনিসপত্র বের করে দিতে বাধ্য হবেন।
গোমস্তা পাড়ার বাসিন্দাদের বক্তব্য, এবার মহিলারা ক্লাবের পুজোর আয়োজন করবেন। এর প্রস্তুতি হিসাবে ক্লাবঘর পরিষ্কার করা দরকার। কিন্তু রাজেশ মণ্ডল ক্লাবঘর থেকে তাঁর জিনিসপত্র বের