ইন্দ্রনীল সাহা
সামনে দুর্গাপুজো, বহু বাঙালির ট্যুর প্ল্যান ইতিমধ্যেই তৈরি। বাংলার পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় বরাবরই থাকে নেপাল। কিন্তু ২৬ অগস্ট নেপালের রাসুয়াতে হড়পা বানের প্রলয়ের পরে চিন্তায় পর্যটকেরা। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরে নেপালে ঘোরার প্ল্যান কি বাতিল হবে?
কলকাতায় নেপালের কনসাল জেনারেল ঝাক্কাপ্রসাদ আচার্যের আশ্বাস, নেপালের যে পর্যটন স্থলগুলি রয়েছে, সেখানে কোনও সমস্যা হয়নি। যে এলাকা হড়পা বানের কারণে ধূলিসাৎ হয়েছে, সেটি মূলত মানসরোবর যাওয়ার রুট। যাঁরা মানসরোবর যাচ্ছেন, তাঁরা মূলত রাসুয়ার ওই রুট ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ‘ওই এলাকা নেপালের পর্যটক এলাকা নয়। ওটা চিন যাওয়ার রুট। আসলে কৈলাস মানসরোবর যাওয়ার রুট। সবচেয়ে নিরাপদ ও সময় কম লাগে ওই রুটে। দুর্ভাগ্যবশত ওখানে এই দুর্ঘটনা ঘটল।’ নেপালের অন্যত্র কোথাও সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। আপাতত কিছু সময়ের জন্য ট্রাভেল রেস্ট্রিকশন হতে পারে, অন্য কোনও সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
ভারত ও চিন থেকে নেপাল সাহায্য পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এখন নেপালের সেনা, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ঝাক্কাপ্রসাদ আচার্য। তাঁদের কাছে যা খবর রয়েছে, তাতে এখনও পর্যন্ত ৮২৬ জন নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন তিনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশ পর্যটক বলে জানিয়েছেন তিনি। রাসুয়া এলাকায় মানসরোবর যাওয়ার পর্যটকদের ভিড় ছিল। পাশাপাশি ওই এলাকায় একাধিক নির্মাণকাজ চলছিল, সেই কারণেই বহু লোকের সমাগম ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।