• Nepal Flash Flood: নেপালে গিয়ে নিখোঁজ বারুইপুরের দম্পতি, খবর নেই ডায়মন্ড হারবারের শিক্ষিকা-সহ আরও অনেকের
    এই সময় | ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • নেপালে তীর্থযাত্রায় গিয়ে নিখোঁজ দক্ষিণ ২৪ পরগনার দম্পতি। ২১ তারিখ স্বামী-স্ত্রী নিখিলরঞ্জন বিশ্বাস ও তাঁর স্ত্রী শিখা নস্কর গিয়েছিলেন মানস সরোবর যাত্রায়। ২৪ অগস্ট শেষ বার শেষবার ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁদের। একই সঙ্গে খোঁজ নেই ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দা, তালদি সুরবালা গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা কেয়া প্রামাণিকের। প্রাথমিক সূত্রে খবর, ২৪ অগস্ট শেষ দাদার সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। তবে নেপালে হড়পা বানের খবর পাওয়ার পর থেকেই পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ। কারও সঙ্গেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। নিখোঁজ তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বাড়ি ফেরার কথা কেয়ার।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের সরিষা এলাকার বাসিন্দা কেয়াও ২১ অগস্ট কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা করেন। ৩২ জনের একটি পর্যটকের দল ‘চলো যাই’ ক্লাবের সঙ্গে নেপালে যায়। কেয়ার ভাই ধীরাজ রায় জানান, ২২ অগস্ট নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু পৌঁছেছিলেন কেয়ারা। ২৪ অগস্টও কথা হয়েছিল। তবে ২৬ অগস্ট হড়পা বানের খবর দেখার পর থেকেই দিদির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু কোনও খবর মেলেনি। পর্যটকের দলের অন্য সদস্য বা যে হোটেলে থাকার কথা সেখানে ফোন করেও মেলেনি উত্তর। ধীরাজের দাবি, ২৬ অগস্টেই হড়পা বান বিধ্বস্ত এলাকা থেকে আরও উপরের দিকে যাওয়ার কথা ছিল কেয়াদের। জানা গিয়েছে ৩২ জনের মধ্যে ৩০ জন পর্যটক, এবং ২ জন তাঁদের দেখাশোনার জন্য ছিলেন। কেয়ার সঙ্গে তাঁর সহকর্মী ও সহকর্মীর পরিবার গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ‘চলো যাই’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ধীরাজকে জানায়, ইতিমধ্যেই ৪ জন নেপালে গিয়েছেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছতে না পারলেও, খোঁজ চলছে।

    নিখোঁজ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের বাসিন্দা নিখিলরঞ্জন বিশ্বাস ও তাঁর স্ত্রী শিখা নস্কর। তাঁদের দুই ছেলে মৈনাককান্তি বিশ্বাস ও মুকুল বিশ্বাস। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ অগস্ট স্বামী-স্ত্রী মানস সরোবর যাত্রার জন্য বেরিয়েছিলেন। ২৪ অগস্ট শেষবার ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁদের। তারপর থেকে আর যোগাযোগ করা যায়নি।

    বুধবার নেপালে ভোটকোশী নদীতে ভয়াবহ হড়পা বান হয়। জলস্রোতে রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায় একাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নেপাল পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ৩৩২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিঁখোজ বহু মানুষ। তার মধ্যে অন্তত ৩০০ জন ভারতীয় রয়েছেন বলে সরকারি সূত্রে খবর। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইতিমধ্যেই দু’টি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। তা হলো— 033-2479 3311, 9147890181। কেন্দ্রীয় সরকারও ভারতীয় দূতাবাসের নম্বর শেয়ার করেছে। তা হলো— +9779851316807, +9779709107500।

  • Link to this news (এই সময়)