‘এক টাকারও দুর্নীতি করিনি’, ইস্তফা দিয়ে দাবি সৈকতের
বর্তমান | ২৭ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরে উদ্ভূত অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল জলপাইগুড়ি পুরসভায়। চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে সরাতে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলারদেরই একাংশ। এর পরে শুরু হয় দড়ি টানাটানি। পূর্ব ঘোষণা অনুসারে আজ, বৃহস্পতিবার ছিল অনাস্থা বৈঠক। তবে ভোটাভুটির কোনো প্রয়োজন পড়ল না। দুপুর ১২টায় বৈঠক শুরু হতেই চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সৈকত। দুর্নীতির অভিযোগ নস্যৎ করে তাঁর পাল্টা দাবি, ‘এক টাকাও কারো থেকে কোনোদিন নিইনি। পারলে আমার দুর্নীতি প্রমাণ করুক।’
এর রেশ ধরে অনাস্থা আনা তৃণমূল কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সৈকত। তিনি বলেন, ‘এঁরা কেউ কালীঘাট তৃণমূল নন, এঁরা ঠিকাদার তৃণমূল! আমার বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র হয়েছে, রাজনৈতিকভাবে তার জবাব দেব।’ সেই জবাব তৃণমূলের প্ল্যাটফর্মে থেকে হবে নাকি অন্য কোনো দলে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে? প্রশ্নের উত্তরে সৈকতের বক্তব্য, ‘সময় কথা বলবে।’
গত ৩০ জুলাই জলপাইগুড়ি পুরসভার তৃণমূল বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈকতের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন দলেরই ৯ জন কাউন্সিলার। ২৫ ওয়ার্ডের জলপাইগুড়ি পুরসভায় তৃণমূলের কাউন্সিলার ২২ জন। বাকি তিনজনের মধ্যে দু’জন কংগ্রেসের ও একজন সিপিএমের।