• চড়া দামেও টিকিটের চাহিদা কমছে না দেশে, খুশি এয়ারলাইন্স
    এই সময় | ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • এই সময়: তখন পুরোদমে যুদ্ধ চলছে। আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানির দাম। তার প্রভাবে বেড়ে চলেছে বিমান–জ্বালানির দামও। এই বছরের মার্চ–এপ্রিলে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে ফ্লাইট টিকিটের দাম বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে বিশ্বের বেশিরভাগ এয়ারলাইন্স। এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো–সহ ভারতীয় এয়ারলাইন্স তার ব্যতিক্রম নয়।

    জ্বালানির দাম এখন অনেকটাই কম। বিশ্বের বহু এয়ারলাইন্স সেই মতো কমাতে শুরু করেছে টিকিটের দাম। কিন্তু, ছবিটা ভারতের ক্ষেত্রে বদলাচ্ছে না। মার্চ–এপ্রিলে টিকিটের দাম যা ছিল, জুলাই–অগস্টেও তাই রয়েছে। কেন? সমীক্ষায় নেমে আমেরিকার ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি 'এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং' জানাচ্ছে, টিকিটের দাম বাড়ার পরেও ভারতের বাজারে তার চাহিদা এতটুকু কমেনি। সেই সুযোগটাই নিচ্ছে এয়ারলাইন্স। দাম বেশি হলেও প্রায় প্রতিটি রুটের প্রতিটি ফ্লাইটেই ভালো ভিড় হচ্ছে। তা হলে কেন দাম কমাতে যাবে এয়ারলাইন্স?

    শুধু তো জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নয়, এয়ারলাইন্সের যুক্তি ছিল, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে, তাদের বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক ফ্লাইটই অনেক ঘুরে গন্তব্যে যাতায়াত করছে। তাতেও জ্বালানি পুড়ছে বেশি। লোকসান হচ্ছে। এমনিতেই প্রতিযোগিতায় নেমে সস্তার টিকিট দিতে গিয়ে আর্থিক ভাবে বিপর্যস্ত প্রতিটি এয়ারলাইন্সই। হাতে–গোনা কয়েকটি এয়ারলাইন্স ছাড়া বিশ্বের বেশিরভাগ এয়ারলাইন্সই লোকসানে চলছে। ভারতের সমস্ত এয়ারলাইন্সই এই লোকসানের তালিকায় রয়েছে। এই আবহে দাম বাড়িয়ে রেখে লোকসানের খানিকটা পূরণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।

    রেটিং সংস্থা জানিয়েছে, দাম বাড়ার পরে ২০২৫–এর জুনের তুলনায় এ বছরের জুনে টিকিট বিক্রি করে ১০–১৫ শতাংশ বেশি টাকা পেয়েছে ভারতীয় এয়ারলাইন্সগুলি। আবার টিকিটের দাম বাড়ার পরেও গত বছরের মে ও জুনের তুলনায় এ বছরের ওই সময়ে ভারতে বিমানযাত্রী সংখ্যা কমেছে মাত্র এক থেকে দুই শতাংশ।
  • Link to this news (এই সময়)